জর্জিয়া- আবখাজিয়া ও জর্জিয়া-দক্ষিন ওসেতিয়ার মধ্যে আক্রমণাত্মক মনোভাব পরিহার করার নিমিত্তে একটি দলিল স্বাক্ষরের জন্যে রাশিয়া আহবান জানিয়েছে . রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভ্রোভ আবখাজিয়ার প্রেসিডেন্ট সেরগেই বাগাপশ ও সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই শাম্বের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এ কথা বলেন.বিস্তারিত জানিয়েছেন আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি এলিজাবেথ ইসাকোবা .
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভ্রোভ দু দিনের কর্মসফরে আবখাজিয়ায় আসেন.তিনি আবখাজিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে বৈঠকের পর এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন যে, রাশিয়া জর্জিয়ার ওপর আগ্রাসন নেই বরং জর্জিয়াই দক্ষিন ওসেতিয়ার ওপর আগ্রাসনী মনোভাব দেখাচ্ছে.তাই এ এখানে ঐক্যমতের ভিত্তিতে আগ্রাসনী মনোভাব বন্ধে একটি দলিল পএ স্বাক্ষর করা উচিত.যা ২০০৮ সনকে যেন আবার ফিরিয়ে না আনতে হয়.বললেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী.তিনি আরও বলেন-
“আমরা জেনেভা আলোচনায় এই প্রশ্নটি বিষয়ে আমাদের সহযোগী ইউরোপিয়ন রাষ্ট্রসমুহের নেতাদের সাথে আলাপ করি .যারা তিবলিসকে বিভিন্ন উপায় মদদ দিয়ে থাকে.তখন আমাদেরকে বলা হয় যে, মেদভেদেভ-সারকাজির যথেষ্ট চিন্তা-ভাবনা রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত দলিলপত্রও স্বাক্ষরিত রয়েছে যেখানে প্রধান বিষয়ই বলা আছে যে,কোন প্রকার আগ্রাসনী মনোভাব থাকবে না .কিন্তু মেদভেদেভ-সারকাজির ঐ দলিলপত্রও পরবর্তিতে যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা রাখে এবং জর্জিয়াও তার আগ্রাসনী মনোভাব বন্ধ করে .এ সবই ছিল রাজনৈতিক ঐক্যমত.হ্যাঁ, গতবছর ১২ আগষ্ট ও ৮ সেপ্টেম্বর রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টদ্বয় মেদভেদেব-সারকাজির মধ্যে যে ২টি দলিলপত্র স্বাক্ষরিত হয় সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ আগ্রাসনী মনোভাব বন্ধে পুরোপুরি গ্যারান্টি প্রধান করবে .আমরা অবশ্যই আমাদের আবখাজিয়া ও দক্ষিন ওসেতিয়ার জনপ্রতিনিধীদের সাথে নিয়ে এ বিষয়ে পুরোপুরি আশাবাদী যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে .এছাড়াও যে বিষয়টি আমরা এখন গুরুত্ব দিচ্ছি তা হল ,তিবিলিসের সাথে আবখাজিয়া ও দক্ষিন ওসেতিয়ার একটি দলিল স্বাক্ষর করা''.
উল্লেখ্য লাভ্রোভ আবখাজিয়ার এ প্রজাতন্ত্রের নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক ব্যাপারে সহযোগিতা এবং পূর্ণ পরিসরের আন্তঃরাষ্ট্রীয় পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাশিয়ার সাহায্য সংক্রান্ত প্রশ্নাবলি নিয়ে আলোচনা করেন. এছাড়াও ১২ আগস্ট রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিনের সুখুম সফরের সময় সামাজিক-অর্থনৈতিক বিকাশে আবখাজিয়াকে সাহায্য দান সম্পর্কে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল. এর আগে ২০১০-২০১২ সালে আবখাজিয়ার সামাজিক-অর্থনৈতিক বিকাশে সহায়তার সমাহারিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়.
<audio>