মস্কোতে ৯বম বারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্জটন মেলা (MITF-টুরিজম ও রেস্ট ২০০৯) এটি চলবে ১১থেকে ১৪ই মে পর্জন্ত. এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহনকারীদের জন্য বড় আকর্ষন হচ্ছে সময়ের মেয়াদ বাড়ান. যেটা ঐতিহ্যগতভাবে নিয়ে আসে গ্রীষ্মে ভ্রমনের সময়ের আগের দিন.
পর্জটন কম্পানিগুলোতে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে বিশ্বের অর্থনৈতিক সংকট. ভ্রমন শিল্পের ওপরও প্রভাব ফেলছে . মস্কো শহর পর্জটন কমিটির প্রধান গ্রিগ্রোরি আনতুফেভ বলেন বিশ্বের অনেক দেশেই পর্জটন শিল্পের বিকাশ হচ্ছে. বিশ্বের অর্থনৈতিক সংকট এ শিল্পের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে. পর্জটন শিল্পের বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধিতে, পর্জটন বিজ্ঞাপনে. আমরা জানি যে মিশরের সরকারের বাজেটে বড় অংক বৃদ্ধি করেছে. ফ্রান্স, তুরস্ক, স্পেন ও অন্যান্য দেশের সরকারেরও সেভাবে বৃদ্ধি করেছে তদ্রুপ. কারন এই শত শত মিলিয়ন ডলার বিজ্ঞাপন বাজেট থেকে কমিয়ে দিয়েছে প্রত্যেকটি দেশে. আজকের দিনে এটাই প্রকৃত বাস্তব. যদি সরকার চায় এ শিল্পকে ধরে রাখতে অথবা পর্জটন শিল্প থেকে সামান্য আয় হারাতে. তবে কোন শর্ত ছাড়াই দরকার অতিরিক্ত বাড়তি ব্যায়.
একমাত্র এ কারনেই আনতুফেভ আরো বলেন বিশ্ব পর্জটন মেলা ২০০৯ এ বিদেশী কম্পানীগুলি মস্কো মেলায় এসেছে. ৪০টি দেশ অংশ গ্রহন করে. বুলগেরিয়া, জার্মান, গ্রীস,হল্যান্ড,মিশর, ইটালী, চায়না, লাটভিয়া,নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড. প্রথমত প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়েছে মালদোভিয়া,সাইপ্রাস, চিলি,বেলারুশ ও দোমিনিকান প্রজাতন্ত্র. গ্রিগ্রোরি আনতুফেভ বলেন গত বছর প্রদর্শনীতে অংশগ্রহনে বিদেশী পর্জটন কম্পানিগুলোর আগ্রহ তুলনামূলক বেশি এ বছর. বিদেশী দেশগুলো চেষ্টা করছে পর্জটনের জন্য গ্রাহক বাড়ানর. রাশিয়ার ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ তেমন বেশি নয় তবে কমও নয়. কারন রাশিয়া ভ্রমন কারী দেশ যদি অন্যন্য দেশগুলির সাথে তুলনা করা হয়. হ্যা, আমরা প্রদর্শনীতে পর্জবেক্ষনের থাকার চিন্তা করছি. নিজেরাই এ্যাকটিভ ভাবে কাজ করে যাবো.
সম্পুর্ন এই মেলায় অংশগ্রহন করেছে প্রায় ১০০০ পর্জটন শিল্প কম্পানি. এদের মধ্যে ৬০টি রাশিয়ার সাথে সম্পৃক্ত. তারা সবাই প্রদর্শনীতে দেখছে কিভাবে নিজেদের বিজ্ঞাপিত করা যায় এবং আকর্ষন জাগান যায় নতুনদের মাঝে. তিনি আরো বলেন অর্থনৈতিক সংকট এখন খুব কঠিন সময় চলছে. তাই এদের মধ্যে প্রতিযোগিতাও বেশি. এই সংকট মুহুর্তে অনেক নতুন নতুন পর্জটন ক্ষেত্র তৈরী হবে কম ব্যায়ে বেশী সুযোগ সুবিধা বহন করবে. তাই এখনই সময় চেষ্টা চালিয়ে যাবার. বেশি সুযোগ সুবিধা দিয়ে বেশি পর্জটক গ্রাহক বৃদ্ধি করে সরকারের বাজেট বৃদ্ধি করা.