ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভিক্টর ইউশেঙ্কো পার্লামেন্টকে নিজের থেকে পদ ছেড়ে দিতে আহ্বান করেছেন. তাঁর মতে দেশের রাজনৈতিক সঙ্কট থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য এটা একমাত্র সঠিক পথ এবং তাঁর মতে এর জন্য দোষী প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া তিমোশেঙ্কো, যাঁকে তিনি বলেছেন সত্পথে থেকে পদ ছাড়তে. একই সঙ্গে তিনি বলেছেন যে, তাঁর আইনগত ক্ষমতা নেই পার্লামেন্ট বন্ধ করে দেওয়ার. দেশের সংবিধান অনুযায়ী আগামী জানুয়ারী মাসের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ছয় মাস আগে শুধু মাত্র পার্লামেন্টের সদস্যরা নিজেরাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন. বর্তমানে পার্লামেন্টের কাজে যে পক্ষ সবচেয়ে বেশী ভোট দেবার ক্ষমতা রাখে, সেটি হল ইউলিয়া তিমোশেঙ্কো ও লিতভিন এবং রাষ্ট্রপতির পক্ষের পার্টি "আমাদের ইউক্রেন – জনতার প্রতিরক্ষা" দলের জোট. কিন্তু এই জোটের মধ্যে প্রায়ই প্রচুর মত বিরোধ হয়েছে, তাই কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না এবং পার্লামেন্ট বাস্তবে গতি হীণ হয়ে পড়েছে. এর মধ্যেই আঞ্চলিক দল রাষ্ট্রপতির এই আহ্বানের সমালোচনা করেছে. এই দলের পার্লামেন্টের নেতা ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের মতে সময়ের আগে লোকসভা নির্বাচনে দেশের শুধু ক্ষতিই হবে.