রাশিয়া ও কাজাকিস্তান কর্তৃক যে নতুন ইউরো-এশিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা(ইউরএশইক) গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সেই প্রকল্পে এখনও কাজ চলছে. সংস্থাটি গঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে যে সংস্থার অন্তর্ভুক্ত ও স্বাধীন কমনওয়েলথ রাষ্ট্রবর্গের দেশসমুহ চলমান অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে পারে .

ইউরো-এশিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা(ইউরএশইক) তে যে দেশগুলি অন্তর্ভুক্ত হবে সেগুলো হল-রাশিয়া,কাজাকিস্তান,বেলারুশ,তাজাকিস্তান ও কিরগিজিস্তান. উল্লেখিত প্রতিটি দেশই নিকট ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে বিশেষ ঋন সুবিধা পাবে .আর এই ঋন সুবিধা দেওয়ার কাজে সহযোগিতা করবে রাশিয়া ও কাজাকিস্তান.বিশেষ করে এই দুটি দেশের প্রতিবেশী দেশসমূহে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা রয়েছে এবং অন্যান্য দেশগুলোর থেকে রাশিয়া ও কাজাকিস্তানের অর্থনীতি যথেষ্ট ভাল .
রাশিয়ার উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক ইয়োসিফ দিসকিন বলছেন-
''এটা সবাই জানে যে অর্থনৈতিক মন্দা কিরগিজস্তান ও তাজাকিস্তানের অর্থনীতিকে বেশ পঙ্গু করে দিয়েছে .আর সেই কারনে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার লক্ষে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে. ঐ তহবিলের ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সরবরাহ করবে স্বংয় রাশিয়া.আর এটা পরিস্কার যে রাশিয়া তার সহযোগী দেশগুলির সমস্যা নিবারনে যথেষ্ট উত্সাহী".

আর এটা খুবই আশানুরূপ দিক যে রাশিয়ার অর্থ দিয়ে প্রতিবেশী দেশসমূহে বিভিন্ন অর্থনৈতিক উন্নয়নমুলক কাজে ব্যাবহার করা হবে. ইয়োসিফ দিসকিন বলেন, সামাজিক সমস্যা সমাধানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন পূর্ব শর্ত. তারা তখনই এই ঋনের অর্থ ফেরত দিবে যখন আমরা দেখবে যে সেখানে এখন অর্থনৈতিক সাম্যাবস্থা বিরাজ করছে. যদি তারা অর্থ ফেরত নাও দিতে পারে তবে তার সমমূল্য সম্পদ দিয়ে ঋনের অর্থ পূর্ন করবে.

ইউরো-এশিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা কোন বানিজ্যিক সংস্থা নয়. ইউরো-এশিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা(ইউরএশইক) কর্তৃক যে ঋন দেয়া হবে তার সুদের পরিমান হবে খুবই কম এবং তা সহজ শর্তেই প্রদান করা হবে.  এই লক্ষে ইউরএশইক ভুক্ত দেশসমূহের অর্থনৈতিক মন্ত্রীদের নিয়ে একটি কমিটি করা হবে যারা ঋন দোয়ার যাবতীয় কাজ পরিচালনা করবে. আর ঋন সরবরাহ করা হবে ইউরোশিয়ান ডেবেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের সহযোগিতায়.

<sound>