ইউক্রেনে রাশিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূতের প্রেরণ মস্কো স্থগিত রেখেছে কিয়েভের রাশিয়াবিরোধী নীতির দরুণ. এ সম্বন্ধে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ জানিয়েছেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রনেতা ভিক্তর ইউশ্যেনকো-কে. রাশিয়ার নেতা এ সম্বোধনকে উন্মুক্ত রূপ দেন, এবং তাতে তিনি রুশ-ইউক্রেনীয় সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা সম্বন্ধে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন. মেদভেদেভ এ সম্পর্ককে সঙ্কটজনক হিসেবে মূল্যায়ন করেন. রাষ্ট্রপতি ভিক্তর ইউশ্যেনকোর আমলে ইউক্রেনের নীতিকে রাশিয়ার সাথে মৈত্রী ও শরিকানার মূলনীতি থেকে সরে আসা বলে অভিহিত করেন. বিশেষ করে নেতিবাচক প্রতিধ্বনি জাগিয়েছে গত বছরের আগস্টে দক্ষিণ ওসেতিয়ার উপর জর্জিয়ার বর্বর আক্রমণের প্রতি সরকারী কিয়েভের সমর্থন. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি মনোযোগ দিয়েছেন, ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষের দ্বারা নিজের দেশের নাগরিকদের মতামত এড়িয়ে জেদের সাথে ন্যাটো জোটে যোগ দেবার নীতির প্রতি. এমন নীতির যুক্তিযুক্ত ক্রমানুবর্তন হল রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবাহিনীর প্রায়োগিক ক্রিয়াকলাপ ক্রমাগত জটিল করার চেষ্টা, যা ইউক্রেনের ভূভাগে রয়েছে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী. তাছাড়া, রাশিয়ার সাথে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক সম্পর্ক একনিষ্ঠভাবে ছিন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে কিয়েভে, সর্বপ্রথমে জ্বালানীর ক্ষেত্রে. ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষের দ্বারা সাধারণ ইতিহাস পুনর্বিবেচনা করার ব্যাপারে গৃহীত ধারার ফলেও রুশ-ইউক্রেনীয় সম্পর্ক পরীক্ষার সম্মুখীন হচ্ছে. ইউক্রেনের সামাজিক জীবন থেকে রুশ ভাষাকে সরিয়ে দেবার চেষ্টার প্রতিও মেদভেদেভ মনোযোগ দিয়েছেন. গোটা সোভিয়েত-পরবর্তী এলাকার জন্য উপমাহীন প্ররোচনা বলে মেদভেদেভ উল্লেখ করেন কোনো ভিত্তি ছাড়াই রাশিয়ার দুজন কূটনীতিজ্ঞকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সরকারী কিয়েভের সাম্প্রতিক দাবি.