এক বছর আগে দক্ষিণ ওসেতিয়ায় জর্জিয়ার দ্বারা সাধিত অপরাধের তদন্ত ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত প্রলম্বিত হয়েছে. এ সম্বন্ধে আজ জানিয়েছেন রাশিয়ার অভিশংসক দপ্তরের তদন্ত কমিটির প্রতিনিধি ভ্লাদিমির মার্কিন. তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন যে, অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন প্রায় ১০০টি ফরেনসিক ও অন্যান্য পরীক্ষা শেষ করার জন্য, এবং তাছাড়া মানব অধিকার সংক্রান্ত ইউরোপীয় আদালত এবং আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালতে বিবেচনার জন্য. মার্কিনের কথায়, তদন্তকারীরা দক্ষিণ ওসেতিয়ার বিরুদ্ধে জর্জিয়ার আগ্রাসন সংক্রান্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ শেষ করেছে. বহু সংখ্যক হত্যা, মানুষ অপহরণ, লুঠপাট, বন্দীদের প্রতি খারাপ ব্যবহার, নিষিদ্ধ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার ও বর্বরতার ঘটনা রেজিস্ট্রিকৃত হয়েছে. জর্জিয়াকে শান্তির জন্য বাধ্য করার অভিযানে, মার্কিনের কথায়, নিহত হয়েছে ৬৭ জন রাশিয়ার সামরিক কর্মী. আগে বলা হয়েছিল ৬৪ জনের মৃত্যুর কথা.দক্ষিণ ওসসেতিয়ার ৩৩ হাজারেরও বেশি অধিবাসী, যাদের মধ্যে বেশির ভাগ বৃদ্ধ, নারী ও শিশু নিজেদের বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়. ২০০৮ সালের ৮ই আগস্ট রাতে জর্জিয়া আক্রমণ করে দক্ষিণ ওসেতিয়া এবং তার রাজধানী স্খিনওয়ালের বড় একটা অংশ ধ্বংস করে. রাশিয়া নিজের শান্তি-সৈনিক এবং শান্তিপূর্ণ নাগরিকদের রক্ষার জন্য সেখানে নিজের সৈন্য বাহিনী পাঠায় এবং তারা পাঁচ দিনের যুদ্ধে জর্জিয়ার বাহিনীকে এ অঞ্চল ছেড়ে যেতে বাধ্য করে. আগস্টের শেষ দিকে দক্ষিণ ওসেতিয়া ও প্রতিবেশী আবখাজিয়ার স্বাধীনতাকে রাশিয়া স্বীকৃতি দেয়.