বৈশ্বিক চ্যালেন্জ্ঞ মোকাবেলা ও বিশ্বশান্তি জোরদার করতে ও সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের তাগিদ নিয়ে মিশরের শারম আল শেখ ঘোষনার মধ্য দিয়ে লোহিত সাগর তীরের অবকাশ নগরীতে শেষ হল জোট নিরপেক্ষ আন্দলন (ন্যামের)১৫তম শীর্ষ সম্মেলন.এ সম্মেলনে প্রায় ১৪০টি দেশের সরকার প্রধানেরা অংশগ্রহন করেন.শতাধিক ন্যাম সদস্য দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগন শান্তি ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক ঐক্য জোরদার করা ছাড়াও বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট,জলবায়ু পরিবর্তন,মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রতিষ্ঠা ও খ্যাদ্য নিরাপত্তার মত আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ন বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন. মিশরের পর্জটন নগরীতে বৃহস্পতিবার ন্যাম নেতৃবর্গের স্বাক্ষরিত শারম আল শেখ ঘোষনা আগামী তিন বছরের জন্য জোট নিরপেক্ষ আন্দলনের কৌশল ও কার্যক্রম পরিকল্পনা সংবলিত শীর্ষ সম্মেলনের চূড়ান্ত দলিল বলে গন্য করা হচ্ছে.ঘোষনায় ন্যাম দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানেরা জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনগুলোর নীতি ও উদ্দেশ্যসমূহের প্রতি তাদের জোরালো অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন. ঘোষনায় বলা হয়, বহুজাতিক ফোরাম বিশেষ করে জাতিসংঘে উন্নয়নদেশগুলোর প্রধান রাজনৈতিক প্লাটফরম হিসেবে ন্যামের ভূমিকা ও প্রভাব জোরদার করতে নেতৃবৃন্দ তাদের জোরালো প্রতিশ্রুতি পূর্নব্যক্ত করেন.
ন্যাম নেতৃবৃন্দ সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে সব পর্যায়ে ও বহুপক্ষিয় ফোরামে ন্যামকে শক্তিশালী করা ও ত্রর পূনরুজ্জীবন প্রক্রিয়া জোরদারে ত্রবং দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতি,সংকটসমূহ ও চ্যালেন্জ্ঞ মোকাবোয় ন্যামের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন .
সম্মেলনের ঘোষনা পত্র নিয়ে আমরা কথা বলি আমাদের রেড়িও রাশিয়ার বিশিষ্ট পর্যবেক্ষক ভ্লাদিমীর আহমেদব. তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির যথেষ্ট পরিবর্তন ত্রসেছে. বিশেষ করে আমরা সবসময় ধনী দেশগুলের সংস্থা G-8 নিয়ে বেশী মাত্রায় আলোচনা করি.আর বর্তমানে যে গ্লোবালাইজেশনের কথা বলা হচ্ছে যেখানে পৃথিবীর ধনী দেশগুলি তাদের প্রাধান্য বিস্তার করার চেষ্টা করা হয়েছিল ত্রবং এ প্রক্রিয়া শুরু করার চেষ্টা করা হয়েছি গত জর্জ বুশের সরকারের আমলে .তবে সময়ের পরিবর্ন এসেছে. ত্রখন তৃতীয় বিশ্বর দেশগুলো সর্বশেষ সময়ে নিজেদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়েনে যথেষ্ট উন্নয়নের ছাপ রেথেছে”.
উল্লেখ্য ত্রই ঘোষনায় নিরস্ত্রিকরন,আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা,মানবাধিকার ও গনতন্ত্র ,আত্বনিয়ন্ত্রন,ফিলিস্তিন সমস্যা, জাতিসংঘ সংস্কার,আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংকট ,খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি ,মানব পাচার ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদি ক্ষেত্রে ন্যামের অবস্থান জোরদার করার ওপর গুরুত্বদেয়া হয়.
ত্রদিকে সম্মেলনে মিশরের প্রেসিডেন্ট হুসনে মুবারক সম্মেলনে নিজের দেয়া ভাষনে বলেন যে,বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে উন্নয়নশী দেশের পাশাপাশি অন্যদেশরও ত্রগিয়ে আসতে হবে.তিনি জাতিসংঘের ত্রক্ষেত্রে অগ্রনী ভূমিকা রাখার কথা ব্যক্তট করেন. (sound)