রাশিয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তথা সারা পৃথিবীতেই আশাভরে অপেক্ষা করা হচ্ছে মস্কোয় আসন্ন শীর্ষসাক্ষাতের. ইতালির প্রচার মাধ্যমকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ রুশ-মার্কিন সম্পর্ককে আন্তর্জাতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলে অভিহিত করেছেন.

   তিনি বলেন, আমি মনে করি, এখন এ সম্পর্কের পুনরুথ্থান হতে শুরু করেছে. কিছুদিন আগে, যখন আমি রাষ্ট্রপতি ওবামার মস্কো সফর সম্বন্ধে নিজের ভিডিও-ব্লগ রেকর্ড করছিলাম, তখন সোজাসুজিই বলেছিলাম যে, বিগত কয়েক বছরে, আগের মার্কিনী প্রশাসনের আমলে রুশ-মার্কিন সম্পর্কের যথেষ্ট অবনতি ঘটেছিল. সেইসঙ্গে বিশেষত্ব ছিল এই যে, দু দেশের নেতাদের মাঝে সম্পর্ক ছিল খুবই ভাল, আন্তরিকতাপূর্ণ, মানবিক, অথচ রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে সম্পর্ক ছিল অতি কঠিন. আলোচ্য-সূচির বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে মতান্তর ছিল. আমার মতে এখন আমাদের মনে সামান্য আশাবাদ জাগছে, রাষ্ট্রপতি ওবামা যা বলছেন, তা আমি কানে নিচ্ছি. আর আমরা বিপুল আগ্রহের সাথে আমাদের দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির সফরের অপেক্ষা করছি.

   আসন্ন সাক্ষাতের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হল আক্রমণাত্মক রণনৈতিক অস্ত্রসজ্জা সংক্রান্ত নতুন চুক্তির প্রস্তুতির প্রক্রিয়া. সেই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, এ সমস্যাটি ইউরোপে মার্কিনী রকেট-বিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত. আমার মনে হচ্ছে, আমরা এ বিষয়ে বুদ্ধিসঙ্গত মীমাংসা খুঁজে বার করতে পারব. এ জন্য প্রয়োজন সংযম এবং আপোষের ক্ষমতার. আমরা এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনার জন্য প্রস্তুত.

   নিজেদের নিরস্ত্রীকরণের প্রশ্ন ছাড়াও তাঁরা আলোচনা করবেন আন্তঃ-আঞ্চলিক ও স্থানীয় সঙ্ঘর্ষ মীমাংসার উপায়, আন্তর্জাতিক আর্থিক সঙ্কট অতিক্রম, এবং অবশ্যই, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বলেন মেদভেদেভ. মোটামুটিভাবে সকলেই আশা করছে আসন্ন সাক্ষাতে মস্কো ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কে বাস্তব পেরেজাগ্রুজকা বা রি-স্টার্ট শুরু হবে, যাতে নতুন নতুন মতভেদ এড়িয়ে  মনোবল প্রকাশ করে পরস্পরের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায়,