ইরানে প্রেসিডেন্ট নিরবাচনের ফলাফল আসা শুরু করেছে. ১২ই জুন চার জন প্রার্থীদের মধ্যে একজনকে প্রেসিডেন্ট নিরবাচন করেছে সেদেশের জনগন. ইরানের প্রেসিডেন্ট নিরবাচনের চার জন প্রার্থী হলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমদিনেজাদ,সংস্কারক মির হোসাইন মোসাবী ও মেহেদী কিয়ারুবী ছাড়াও কনজারভেটিভ ট্রাডিশনালিস্ট মোহসেনা রেজাই. কেন্দ্রীয় নিরবাচন কমিশন আগামি বরিবার সরকারি ফলাফল ঘোষনা করবে. রেডিও রাশিয়ার বিশেষ করসপেনডেন্ট ভ্লাদিমির সাজিন তেহরান থেকে জানিয়েছেনঃ গত শুক্রবার ইরানের সমগ্র অন্চলে ভোট গ্রহন শুরু হয় সকাল থেকে এবং সন্ধা ছয়টায় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভোটারদের উপস্থিতির কারনে ভোট গ্রহন সময় রাত ১০টা পর্জন্ত বাড়ান হয়. তেহরানে অধিকাংশ ওয়ার্ডে রাত ১০টা পর্জন্ত অনেক ভোটারকে অংশ গ্রহন করতে দেখা যায়. সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে ভোট গ্রহন হয়েছে. এই ভোট গ্রহনের দিনে অন্য একটি বিষয়ে অনেকের মনোযোগ আকর্ষন করেছে তাহল নিরবাচনের দিনে বিবাহ উত্সবের ধুম. ইরানের টেলিভিশন এইনভ দম্পতির ভোট কেন্দ্রে এসে উত্সাহ আমেজে ভোট দেয়া দেখিয়েছে.
এ নিরবাচনে আরেকটি বিশেষ দিক ছিল যে ভোট দানে যুব সমাজের সক্রিয়তা. ১৮ বছরের ছেলে মেয়েরা আনন্দ উত্সবে ভোট দিতে এসেছেন নিজেস্ব কেন্দ্রে. এবং ভোট দেবার পর তারা দল বেধে আনন্দ উত্সবে ঘোরা ফেরা করেছে. বিকালে আমাদের বিশেষ করেসপনডেন্ট যুবকদের দেখেছেন, সেখানে সেসব যুবকরাই আনন্দ করছে যারা সারাদিন ভোট কেন্দ্রের আসে পাশে ছিল. এই মুক্ত পরিবেশে তারা নিরবাচনের আনন্দ উপভোগ করছে. কেকে যুবকদের জানতে চাইলে তারা জানায় দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে তাদের জাতীয় দায়িত্ব পালন করেছে মাত্র. তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ভবিষ্যত আর্কিটেকচার বলেনঃ আমি অনেকদিন চিন্তা ভাবনা করেছি ভোট দিতে যাব কিনা. শেষ পর্জন্ত ভেবেছি যে ভোট দেয়া আমার নাগরিক দায়িত্ব. এবং আমার একটি ভোটে যে কোন প্রার্থীই নিরবাচনে জয় পরাজয় বরন করতে পারে. আমার একটি ভোটের জন্য একজন অদক্ষ লোক নিরবাচনে জয়ী হতে পারে. তাতে দেশের অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে.এই ভেবেই আমি ভোট দিতে এসেছি. প্রত্যেক ভোটারেরই ভোট দেয়া তার দায়িত্বের মধ্যে পরে. কাফেতে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যএকজন ছাত্রী ভবিষ্যত প্রোগ্রামিস্ট বলেনঃ এই নিরবাচন ইরানের জনগনের ভাগ্যের বড় ধরনের ভূমিকা পালন করবে. জনগন মুক্তভাবে বাচতে চায়. সবাই চায় তাদেরকে যেন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি না দেয়া হয়. সবাই নিরাপদ বিশ্বে বাস করতে চায়. সোসাল প্রটেক্ট এটমোস ফিয়ারে সবাই কাজ করতে চায়.