দক্ষিণ কোরিয়ার কাগজ "চসন ইলবো" লিখেছে যে, উত্তর কোরিয়ার সামরিক নৌ বাহিনী হলুদ সমুদ্রে হঠাত্ আক্রমণের প্রয়োজনে সৈন্য নামানোর জন্য বিশাল মহড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে. সিওলে এই ঘটনাকে যুদ্ধের প্রস্তুতি বলে মনে করা হচ্ছে. দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক নেতৃত্ব জানিয়েছে যে, তারা যে কোনো রকম আক্রমণের জন্য প্রস্তুত, তা নৌ বহর থেকে সৈন্য নামানোই হোক, কিংবা পাহারাদার জাহাজ বা ডুবো জাহাজ আক্রমণই হোক অথবা স্বল্প পাল্লার রকেটই ছোঁড়া হোক. রাশিয়া এই অঞ্চলে দ্রুত সমস্যার সমাধানের জন্য চেষ্টা করছে, বিশেষত কোরিয়ার উপদ্বীপের পারমানবিক নিরস্ত্রীকরণের জন্য ছয় দেশীয় আলোচনা আবার যাতে শুরু হয়. বেশীর ভাগ দেশই উত্তর কোরিয়ার আণবিক বোমার পরীক্ষা ও রকেট ছোঁড়ার নেতিবাচক সমালোচনা করেছে. রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত তৈরী হচ্ছে. রাশিয়ার প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন বলেছেন, এই দলিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিন্তু এটা যেন উত্তর কোরিয়াকে একঘরে করে না দেয়.