যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থা পরিকল্পনা নিয়েছে মধ্য এশিয়ায় শক্তিশালি সামরিক গ্রুপ গঠনের মাধ্যমে এই গুরুত্ব পুর্ন অন্চলের স্থিতিশীলতার জন্য, তা জানিয়েছেন যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থার তথ্য সচিব বিতালী স্ত্রগোসেভ. তিনি বলেনঃ রাশিয়া সম্মেলিতভাবে কাজাখস্থান, কিরগিজিয়া ও উজবেকিস্থানের সাথে এ অন্চলে বিশাল সামরিক গ্রুপ তৈরী করবে যে কোন ধরনের আগ্রাসী হামলার বিরুদ্ধে অবস্থান নেবার জন্য. তিনি আরো বলেন যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থার আলোকে এ গ্রুপ কোন সদস্য দেশের আভ্যন্তরিন বিবাদের নিস্পতি করবে না. এ সামরিক গ্রুপের মধ্যে ট্যাংক, আরটিলারি ও বিমান বাহিনীর যন্ত্রাংশ থাকবে পাচটি দেশের যৌথভাবে ছাড়াও রাশিয়া ও কাজাখস্থানের সামরিক নৌবাহিনী কাস্পিয়ান সাগরে অবস্থান থাকবে. বিগত কয়েক বছর যাবত এ ধরনের সামরিক গ্রুপের পরিকল্পনা করে আসছে. বর্তমান সময়ে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো সম্মেলিত এ চটুক্তি পত্র সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলি স্বাক্ষর শুরু করেছেন. মস্কো পরিকল্পনা নিয়েছে এ গ্রুপে বিমান বাহিনীর ডিসান্ট ডিভিসন ও আর্টলারী ব্রিগেট আরো শক্তিশালী রুপে উপস্থাপন করবে. এ ডিভিশন ব্রিগেট প্রায় ৮ হাজার সামরিক বাহিনী থাকবে. এবং কাজাখস্থানে ৪ হাজার. অন্যান্য দেশ কিছু সংখ্যক ব্যাটালিয়ানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবে. তারা সবাই সম্মেলিতভাবে বিভিন্ন সামরিক ঘাটিতে অবস্থান করবে আকাশ পথে সৈন্য বৃদ্ধি করা হবে. সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছে এ ধরনের সামরিক গ্রুপের মাধ্যমে মধ্য এশিয়ার দেশগুলিতে স্থিতিশীলতার নিশ্চিত বিধান করবে. এ বিষয়ে স্ট্রাটেজিক রিসার্চ ইন্সটিটিউটের কর্মকর্তা আজাদ কুরতব বলেনঃ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের টেরিটোরির নিরাপত্তা বিধান বাস্তব সম্মত.শেষ ২০ বছরের দিকে লক্ষ করলে দেখান য়ায় বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছে এমনকি বৃহত ইউরোপের মধ্যে তা রয়েছে. তাই আমি মনে করি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থা সঠিক পথে এগুচ্ছে. যত শীঘ্রই সম্ভব এই চুক্তি পত্র সাক্ষর হওয়া দরকার. আমলাতন্ত্র যাতে এই চুক্তি পত্র সাক্ষরের সময় বৃদ্ধি না করে সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে. নিরাপত্তা এটা খুবই সিরিয়াস বিষয় বস্তু. তাই এর মধ্যে প্রয়োজন সঠিক সিদ্ধান্ত, ব্যাপক কার্জকারিতা ও পরস্পর আস্থা, বিশ্বাস ও রাজনৈতিক ও নিয়ন্ত্রন কারীদের মধ্যে.
মধ্য এশিয়ায় এই ধরনের সামরিক গ্রুপে আপাতত সৈন্য বাহিনী কম কারন যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থার অন্য একটি শাখায় আরো সামরিক সদস্য রয়েছে যারা সদস্যভূক্ত রাষ্ট্রের যে কোন সময়ে অপেরাটিভ কার্জক্রম সম্পন্ন করতে প্রস্তুত. সংস্থার এ শাখায় পাচটি দেশের যৌথভাবে স্থল, আকাশ ও নৌবাহিনী সক্রিয় সদস্যরা রয়েছে যারা ২০০৬ সালে গঠন করা হয়েছিল. ঐ যৌথ মহড়ার মধ্য এশিয়ায় নতুন সামরিক গ্রুপ তৈরীর পরিকল্পনা করা হয়েছিল.