দক্ষিণ কোরিয়ায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের বাহিনীর অধিনায়কমণ্ডলী ঘোষণা করেছে যে, কোরীয় উপদ্বীপে অগ্নি সংবরণের চুক্তি কার্যকরী থাকছে, যে চুক্তি এ উপদ্বীপে ১৯৫০-১৯৫৩ সালের যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছিল. এ অধিনায়কমণ্ডলীর প্রেস-রিলিজে বলা হয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষর করা সব দেশের জন্য তা বাধ্যতামূলক. উত্তর কোরিয়া এ চুক্তি আর পালন করতে চায় না, তত্সংক্রান্ত ঘোষণার পর এই প্রেস-রিলিজ বার করা হয়েছে. দক্ষিণ কোরিযায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐক্যবদ্ধ সেনাবাহিনীর অধিনায়কমণ্ডলী এ উপদ্বীপে বাহিনীর যুদ্ধপ্রস্তুতির মান সর্বোচ্চ দ্বিতীয় মান পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে, উত্তর কোরিয়ার দ্বারা সম্প্রতি পারমাণবিক ও রকেট পরীক্ষার পর. শেষ বার এমন যুদ্ধপ্রস্তুতির মান দেখা গিয়েছিল ২০০৬ সালে,উত্তর কোরিয়ার প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষার পর. রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সীমান্ত অঞ্চলে দিনরাত পরিস্থিতি নিরীক্ষণ করছে. রাশিয়ার সামরিক অনুসন্ধানী বাহিনী ও বিভাগকে এ অঞ্চলের পরিস্থিতির পরিবর্তন সংক্রান্ত তথ্য রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে. বুধবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রকে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল এবং ২৫শে মে তাঁর দেশের দ্বারা ভূগর্ভে পারমাণবিক পরীক্ষা এবং স্বল্প পাল্লার রকেট পরীক্ষা উপলক্ষে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল. জোর দিয়ে বলা হয়েছিল যে, এ সব ক্রিয়ার ফলে উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় উদ্ভূত উত্তেজনা এ অঞ্চলের কোনো দেশের স্বার্খের সাথে থাপ থায় না এবং এ উত্তেজনা প্রশমনের জন্য অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার. রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে ছয়পাক্ষিক আলাপ-আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে.