অর্থনীতিকে ক্ষতি না করে, সংকট কে অপটিমালভাবে ব্যাবহার করার- ব্যাবসায়ীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ.
ছোট ও মাঝারি ব্যাবসার প্রতিনিধিদের সাথে স্বাক্ষাতে দিমিত্রি মেদভেদেভ তাদেরকে বোঝাতে চেয়েছেন যে এই সংকট সময়ে রাষ্ট্র বা সরকার তাদেরকে বেকায়দায় ফেলবে না. এটা শুধু কথাই নয় সাম্প্রতিক সময়ে ছোট ও মাঝারি ব্যাবসার স্বার্থ রক্ষায়সরকার বিশেষ কিছু আইন প্রনয়ন করেছে. যেমন নির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ছোট ও মাঝারি ব্যাবসায়ী স্থানে হঠাত করে বিভিন্ন ডকমেন্ট পরিক্ষা নিরিক্ষার জন্য যেতে পারবে না. সরকারের ক্রয় বৃদ্ধি করা, এমনকি ব্যাবসার জন্য যে জায়গার দরকার সে জায়গায় বিশেষ বিশেষ আইন প্রনয়ন করেছে. দেশিয় ব্যাবসায়ীদের রাষ্ট্র আর্থিক সাহায্যের পরিশন বৃদ্ধি. শুধু ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে রাষ্ট্র চায় তারা যেন এই সুযোগ সুবিধা গুলি ভালভাবে ব্যাবহার করে. ব্যাবসায়ীদেরও বোঝাতে হবে যে সরকার এসব সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিকাশের জন্য. সংকটের এই সময়ে ব্যাবসায়ীদের শুধু নিজেদের স্বার্থের চিন্তা করলেই হবে না, তাদেরকে ভবিষ্যত সমন্ধে ভাবতে হবে এবং তাদেরকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে. তবেই রাষ্ট্র ও ব্যাবসার মধ্যে আস আস্থাশীল ডায়ালোগ তৈরীর পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন রাশিয়ার অর্থমন্ত্রনালয়ের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ গ্রুপের প্রধান এফগেনি গুরবিচ বলেনঃ
আমি মনে করি রাষ্ট্র ও ব্যাবসার মধ্যে প্রয়োজন ডায়ালোগ সংকট সময়কাল ছাড়াও. এ ধরনের সংলাপ যে কোন সময়ই দরকার ফলপ্রসু সংলাপ বিভিন্ন ক্ষেত্রে. বিশেষ করে রাজস্বের ক্ষেত্রে একদিকে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাজস্বের পরিমান কমে গেলে. অন্যদিকে ব্যাবসায়ীরা বশী রাজস্ব দিতে গিয়ে ব্যাবসায় অসাধুতা গ্রহন করতে উত্সাহিত হয়. যেসব ব্যাবসায়ী পুর্ন রাজস্ব সরকারকে পরিশোধ করে তাহলে সে উচ্চ হারের জন্য নিজে ক্ষতি গ্রস্ত হয়. তবে সবাই যদি সত্যিকার অর্থে সম্পুর্ন রাজস্ব সরকারকে পরিশোধ করতে হলে রাজস্বেরও হারও সরকার কমাতে পারত. এজন্য এ ক্ষেত্রে উভয়কে পরস্পর সহযোগিতা আসতে হবে. রাষ্ট্র ব্যাবসায়ীদের সাথে সমঝোতায় আসা উচিত. এজন্য বিভিন্ন পদক্ষেপে একে অপরের সাথে স্বাক্ষাত হওয়া উচিত. যদি এই সংকট সময়ে ব্যাবসায়ীদের সাথে সবসময় সংলাপ চালিয়ে যেতে পারে এবং সংকটের পরে তা চলমান রাখতে পারে তবে এই সংকটের প্রভাব পজেটিভভাবে কাজে লাগবে.
রাজস্বের বিষয়ে উভয়ের মধ্যে আলোচনার দাবী রাখে. ব্যাবসায়ীরা রাজস্ব হ্রাসের পক্ষে তবে অর্থনীতিবিদরা এই সংকট কালে রাজস্বের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোন ধরনের ছাড় দিতে চাইছে না. সরকারের এমন প্রধান কাজ ব্যাবসায়ী প্রতিনিধিদের কথা মনযোগ সহকারে শুনে তার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের অর্থনীতি বিকাশ করা উচিত.