রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে সিদ্ধান্ত কঠোর হবে তা জানা গেছে, কিন্তু মস্কো পিয়ংইয়ংকে একঘরে করে ফেলার বিরুদ্ধেই বলবে. ইন্টারফ্যাক্স কে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বিদেশমন্ত্রকের জনৈক প্রতিনিধি এই খবর দিয়েছেন.উনি বলেছেন, এটা নিরাপত্তা পরিষদের সম্মানের প্রশ্ন, তাই প্রতিক্রিয়া অবশ্যই হবে যথেষ্ট সিরিয়াস. একই সঙ্গে কূটনীতিবিদ বলেছেন যে, কোনো স্যানিটারি করিডরের কথা বলা হচ্ছে না. আলোচনার পথ সব সময়ই খোলা থাকা দরকার. মস্কোতে উত্তর কোরিয়ার নিজস্ব নিরাপত্তার উদ্বেগ বিষয়টি স্বীকার করা হয়ে থাকে. এই দেশটি খুব একটা বন্ধু দেশকে প্রতিবেশী হিসাবে দেখতে পাচ্ছে না. আমেরিকার সমরাস্ত্রের কথা হিসাবে না আনলেও, এর দিকে তাক করে আছে দুটি জোটের সমস্ত শক্তি. আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংস্থা গঠন করে, রাজনৈতিক কূটনীতি ব্যবহার করেই একমাত্র এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব. এই পথে না গেলে পিয়ং ইয়ং যুদ্ধাস্ত্রের দৌড়ে অবশ্যই হারবে এবং শেষ করে ফেলবে এই দেশের অর্থনীতিকেও.