রাশিয়ার জনগন বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট প্রভাবের সংথ্যা থেকে মুক্ত হতে যাচ্ছে. এই তথ্য জানিয়েছে রাশিয়ার সামাজিক এনালেটিক্যাল সংস্থা লেবাধা কেন্দ্র.
সাম্প্রতিক সময়ের উপাত্ত বিশ্লেষনে জনগনের চাহিদা অনুযায়ী সমাজ বিজ্ঞানিরা এই মতবাদ দেন যে সংকটের প্রভাব জনগনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করছে. প্রথমে দেশের নেতৃবৃন্দ এরপর সংবাদ মাধ্যমগুলি জানাতে থাকে রাশিয়ায় সংকট কার্জত সবাই গভীরভাবে নিচ্ছে. দেশের জনগন এই সংকটের সাথে পরিচিত হতে ছিলেন খাদ্য ও পন্যদ্রব্যের মুল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে ও বেকার সমস্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে. আর এখন সরকার ও সংবাদ মাধ্যমগুলি সংকট সমন্ধে বলছে অন্যরকম সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রনে কিন্তু জনগন গ্রহন করছে অন্যরকমভাবে. এ বিষয়ে লেবাধা কেন্দ্রের এনালেটিক আলেকসি লেবিনসন বলেন রাশিয়ার জনগনের কিছু অংশ প্রকৃত পক্ষে সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তবে কিছু অংশ এর ব্যাতিক্রমও. তাহলে ক্রাইসিজটা কোথায়. তাছাড়া সমাজের বিভিন্ন শ্রেনীর লোকজনের মধ্যে সংকটের প্রভাবও লক্ষ্য করা গেছে বিভিন্ন প্রকৃতির. যেমন মধ্যম শ্রেনীর জনগন সংকটের প্রভাব কমই অনুভব করেছেন শ্রমিক শ্রেনীর তুলনায়.

বিভিন্ন সামাজিক গ্রুপে সংকট স্পর্শ করেছে বিভিন্নভাবে- শ্রমিক শ্রেনী বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সরকারি কর্মি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনী বা সামরিক বাহিনীর তুলনায় এবং তারচেয়েও কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিশেষজ্ঞ শ্রেনী. তবে বেশিরভাগ মানুষেরই কম আয় ও কম রিজার্ভ. এ জন্যই বেশিরভাগ লোক আর্থিক কষ্টে পড়েছে কারন তাদের প্রধান সবলম্বন খাদ্য ও পন্নদ্রব্য যোগান. তবে এ রকম মতবাদও আছে যে সোসাল স্টাটাস যার যত বেশি তিনি ততই সংকট বিষয়ে বেশি হতাশাগ্রস্ত. তবে এ ধরনের মতবাদ বা ফর্মুলা সবসময় কাজ করে না. সামাজিক সংস্থার সূচক অনুযায়ি যে সব বিশেষজ্ঞ তার ক্যারিয়ারের সিড়ির উচ্চ অবস্থানে পৌছেছেন তিনিই সবচেয়ে বেশি ভয় করেন বেকারত্বের অভিসাপের কবলে পড়ার. তবে বেকার হবার ভয় সব শ্রেনীর ভিতরেই কাজ করে. তবে বেশিরভাগ শ্রমিক শ্রেনীই বিশ্বাস রাখে যদি সে চাকুরি হারায় তবে তার বিশেষজ্ঞতা অনুযায়ি সহজেই চাকুরি খুজে পাবে কিন্তু উচ্চ শ্রেনীর বিশেষজ্ঞদের মধ্যে খুব কমই আছে যারা এ ধরনের আত্ববিশ্বাস রাখতে পারেন.