রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ যিনি বিশ্ব রবি শষ্য ফোরামের উদ্ভগ্ধাতা জি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে যা আয়োজন করা হবে আগামি ১লা জুনে রাশিয়ার সেন্ট পিটারবার্গে. রাশিয়ার উত্তর অংশের রাজধানীতে বিশ্বের ৬৫টি দেশের কৃষি মন্ত্রীরা মিলিত হবেন. 
       আর্থিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রাক্কালে বিশ্বের খাদ্যদ্রব্য সংকট দেশের স্থান দখল করবে. সমস্যা অন্যতম মনযোগের বিষয়. বিশ্বে প্রতিদিন লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া খাদ্যদ্রব্যের রিজার্ভ দিন দিন কমে আসছে. জাতিসংঘের তথ্যমতে প্রায় ১ বিলিয়ন লোক কোন না কোনভাবে ভুক্ত অবস্থায় থাকে. তাছাড়া বর্তমানে মানুষের খাদ্যদ্রব্য অপচয় করে বায়ো রিসার্চ বা পেট্রোলিয়াম ও ডিজেল উত্পাদন করছে.
বর্তমান সময়ে বিশ্বে রাশিয়াই এক মাত্র দেশ যে দেশে আবহাওয়ার সাথে সমন্বয় সাধন করে বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামর্থ.গত বছর  রাশিয়ায় বিগত ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মত রেকর্ড পরিমান রবি শষ্য উত্পাদন করেছে যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করেছে. তাতে বিশ্বের অনেক দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে. বহু বছর পর রাশিয়া ২০০১ সাল হতে নতুন করে গম রপ্তানি করেছে সেসব দেশে যেসব দেশে ইউরোপ ও আমেরিকা এতদিন গম রপ্তানি করে আসছে. বর্তমান মৌসুমেও রাশিয়া ২১ মিলিয়ন মেট্রিক টন গম রপ্তানি করতে পারবে যা রাশিয়ার আগের সব ধরনের রেকর্ড ভংগ করবে. বিশ্বের অন্যতম গম রপ্তানিকারক দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং রাশিয়া. খুব শীঘ্রই রাশিয়া গম রপ্তানীতে দ্বীতিয় স্থানে এসে যাবে বলে দৃঢ় বিশ্বাসে বল্লেন রাশিয়ার রবি শষ্য উত্পাদন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরকাদি ভ্লাচেবস্কি. তিনি বলেন আমরা খুব নিকটবর্তী বছরেই বিশ্বের দ্বীতিয় গম রপ্তানীকারক দেশের স্থান দখল করবে. এটা খুব সিরিয়াস সূচক, এমনকি নিকট ভবিষ্যতে প্রথম স্থানেও বলে আসতে পারি্. সরকার আমাদের উপর এই দায়িত্ব দিয়েছেন. প্রেসিডেন্টও আমাদের উপর সর্বন্তকরনে চেষ্টা চালিয়ে যেতে বলেছেন রাশিয়ায় কৃষি শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে রাশিয়ার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে জ্বালানী তেল ও গ্যাসের রপ্তানির বিকল্প হিসাবে. যার উপর রাশিয়ার বর্তমানে অর্থনীতি নির্ভরশীল.
    বিশ্বের ৫০টি দেশ রাশিয়ার গম ক্রয় করছে এবং নিকট ভবিষ্যতে আরো বৃদ্ধি হবে. এবং রাশিয়াও তার বাজারকে আরো শক্তিশালী করবে. আর এই বিষয়েই বিশ্ব রবি শষ্য ফোরামে রাশিয়ার উত্পাদনকারিরা আলোচনা করার পরিকল্পনা নিয়েছেন যাতে বিশ্ব গমের বাজারে সক্রিয় কৌশল প্রভাব খাটাতে পারে যাতে করে রাশিয়ার জাতীয় উত্পাদন বৃদ্ধি ও বিশ্বের ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা হ্রাস পায়.