ভারতের প্রেসিডেন্ট প্রতিভা পাতিল গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর পদত্যাগ পত্র গ্রহন করেন. তবে প্রেসিডেন্ট নতুন সরকার গঠিত হবার আগ পর্জন্ত মনমোহন সিং কে ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী থাকার জন্য অনুরোধ করেন. এ বিষয়ে আমাদের পর্জবেক্ষক জর্জ বানেসভের বর্ননায়ঃ বিশেষজ্ঞদের তথ্য মতে নতুন সরকার মনমোহন সিং এর প্রধানমন্ত্রীত্বেই গঠন করা হবে. ক্ষমতাশীল জোট সংযুক্ত প্রোগ্রেসিভ এলাইয়েন্স ভারতীয় কংগ্রেস পার্টির নেতৃত্বে পার্লামেন্ট নিরবাচনে বিশাল জয়ের পর এ ধরনের ক্ষমতা তিনি রাখেন. স্মরন করিয়ে দিচ্ছি যে জোট সংযুক্ত প্রোগ্রেসিভ এলাইয়েন্স ভারতীয় কংগ্রেস পার্টির নেতৃত্বে পার্লামেন্টে ৫৪৩টি আসনের ২৬১টি আসন জয় লাভ করেন. সরকার গঠনের লক্ষে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতার জন্য তাদের মাত্র ১১টি আসনের প্রয়োজন. ধারনা করা যাচ্ছে এই বিশাল জয়ের পর সংযুক্ত প্রোগ্রেসিভ এলাইয়েন্স কে ছোট খাট আন্চলিক দলগুলি সমর্থন জানাতে প্রস্তুত. এরই মধ্যে কংগ্রেস পার্টির নেতারা অনেকের সাথে যোগাযোগ করে চলছে. কংগ্রেসের নেতৃত্বে মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী হলে নিরবাচনের আগে দেয়া ওয়াদা যথাসাধ্য পুরন করবেন. মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী হলেও অর্থমন্ত্রী তিনিই ছিলেন. তাই তার নেয়া বাজার অর্থনীতি সংস্কার কাজও চলমান রাখবে. সাম্প্রতিক বছর গুলিতে ভারত বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক বিকাশিত দেশ হিসাবে পরিচিত. এমনকি বর্তমান বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট সত্বেও ভারতের জিডিপি সাত শতাংস ধরে রেখেছে. নিরবাচনের আগে কংগ্রেস পার্টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অর্থনৈতিক বিকাশ, সামাজিক উন্নয়ন সংস্করন ও সকল ধর্মের সমান অধিকারে ধর্ম নিরপেক্ষতা. আর এই সুযোগটাই গ্রহন করেছে কংগ্রেস পার্টি হিন্দু জাতিয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টির চেয়ে এগিয়ে থেকে. তাছাড়া মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্থানের উপর কঠোর অবস্থান ভোটারদের মন জয় করতে পেরেছে. ভারতীয় কংগ্রেস পার্টির নেতৃত্বে প্রোগ্রেসিভ এলাইয়েন্স বিশাল জয়ের বিষয়ে প্রাচ্য বিষয়ক ইন্সটিটিউটের ভারত বর্ষ রিসার্চ সেন্টারের একাডেমিক তাতিয়ানা সাওমিয়ান বলেন, আমি মনে করি ভারতীয় ভোটাররা ইসলামিক কট্টর পন্থী, জংগীবাদ ও হিন্দু জাতিয়তাবাদীর বিরুদ্ধে এবারের নিরবাচনে রায় দিয়েছে. ভারতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য এই রায়.