রাশিয়া জাতিসংঘের মহাসচিবের সাথে সোমালিয়ার তীরে গ্রেফতারকৃত জলদস্যুদের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল গঠনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে. এ আলোচনার লক্ষ আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার করা যারা জলসীমানায় ডাকাতি করবে.
জাতিসংঘের তথ্যমতে সোমালিয়ার জলদস্যুদের নিয়ন্ত্রনে বর্তমানে ১৬টি জাহাজ ও প্রায় ২৭০ জন নাবিক রয়েছে. জলদস্যু দমনে আদিন্স উপসাগরে ১৬টি দেশের নৌবাহিনী কোয়ালিশনভাবে টহল দিয়ে যাচ্ছে. এ অন্চলে রাশিয়া ও তার নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠিয়েছে টহলের মাধ্যমে জলদস্যু দমন ও নিজেদের নৌ জাহাজকে স্কর্টকরন.
তবে দেখা গেছে শুধু শক্তি প্রয়োগ করে জলতীরে ডাকাতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না. জাতিসংঘের মহাসচিব পান-জি-মুন তার দাকলাদে উল্লেখ করেন যে জলদস্যু দমনে পেকেজ পদক্ষেপের প্রয়োজন. যেখানে যুক্ত থাকবে সোমালিয়ার শান্তি প্রক্রিয়া পর্জবেক্ষন এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের সামরিক শক্তির সমর্থন, বিশ্ব শান্তিরক্ষী বাহিনী ও সোমালিয়ান নিরাপত্তা বাহিনী. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে আফ্রিকা ইউনিয়নের কনটিংগেন্ট বৃদ্ধি করা কিন্তু আফ্রিকার ৬০টি দেশের মধ্যে মাত্র ৪টি দেশ জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে সমর্থন জানিয়ে সোমালিয়ায় শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠাতে সম্মত হয়েছে. তাই পান-জি-মুন উপদেশ দিয়েছেন আপাতত ৬ মাস পর্জন্ত জাতিসংঘের নতুন নতুন সিদ্ধান্ত স্থগীত রাখার জন্য.
রাশিয়াসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই আইনি বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল গঠনের সমর্থন জানিয়েছে জলদস্যু সমস্যা সমাধানের জন্য. তা স্বীকার করেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের অফিসিয়াল প্রতিনিধি আন্দ্রে নিস্তারেনকো.
তিনি বলেন বর্তমান সময়ে গ্রেফতারকৃত জলদস্যুদের জাতীয় আইনের মাধ্যমে বিচার করা হবে. এখনো এ লক্ষে বিশেষ আন্তর্জাতিক আদালত এখনো গঠন করা হয়নি. এ বিষয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ এর উদ্বোগে প্রস্তাব আমাদের অংশীদারকে দেয়া হয়েছে পর্জালচনা করার জন্য বিশেষ আন্তর্জাতিক আদালত গঠনের জলদস্যুদের বিচারের সম্মুখিন করতে. আর এর মাধ্যমে বিশ্বে স্টান্ডার্টস ও ইউনিভারসেল আদালত গঠনের প্রক্রিয়া কাজ করতে পারবে যাতে করে জলদস্যুতা প্রতিরোধ করা যায়.
রাশিয়ার উদ্বোগী প্রস্তাব বহু রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা সমর্থন জানিয়েছে. একই সাথে জলদস্যু দমন ট্রাইবুনাল গঠনের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে এই অপরাধ প্রবনতা দমন শক্তি হ্রাস পাবে. এ বিষয়ে মনযোগ দেয়া প্রয়োজন যে এই বিশেষ আন্তর্জাতিক আদালত গঠনে, বিশাল আর্থিক ব্যায়, এর জন্য অত্যান্ত দীর্ঘ সময় লাগবে তা বাস্তবায়নে.