দক্ষিনীপ্রবাহপ্রকল্পের অংশীদারি দেশগুলি ট্রান্সইউরোপীয় গ্যাস পাইপলাইন সিস্টেম প্রকল্পের বিষয়ে বিভিন্ন দেশগুলির মধ্যে অনুমোদনের পালার শেষ পর্বে পৌঁছেছে. রাশিয়ান গ্যাস কোম্পানী গাজপ্রম ও ইতালি, বুলগারিয়া, সেরবিয়া এবং গ্রীসের শক্তি সরবরাহ কোম্পানী গুলি কৃষ্ণ সাগরের  উপকূলে সোচী শহরে আজ এই পাইপলাইন সিস্টেম প্রকল্পের নির্মাণের সহযোগীতা চুক্তিতে সাক্ষর করতে চলেছেন. এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাশিয়ান প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন ও ইতালির সরকার প্রধান সিলভিও বেরলুসকোনি. প্রসঙ্গত, ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদার পূরণের জন্যই এই নূতন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে. এছাড়াও  কৃষ্ণ সাগরের তলা দিয়ে সোজা বুলগারিয়া হয়ে দক্ষিণ ইতালি ও অস্ট্রিয়া পর্যন্ত এই পাইপলাইন ট্রানজিটের সমস্যার ও সমাধান করবে. নূতন গ্যাস পাইপলাইন সিস্টেম সোজা সরবরাহ কারী দেশ থেকে ইউরোপের প্রায় ১০টি দেশের গ্রাহকদের কাছে প্রাকৃতিক গ্যাস পৌঁছে দেবে সরবরাহের মাধ্যমদেশ গুলিকে এড়িয়ে. দক্ষিনীপ্রবাহপ্রকল্প প্রাকৃতিক গ্যাস পৌঁছে দেবে ইউরোপের সেই দেশ গুলিতে যারা গত জানুয়ারী মাসে ইউক্রেনের রাশিয়ান গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সব থেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল. রাশিয়া থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় বসনিয়া, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, গ্রিস, হাঙ্গেরি, মেসিডোনিয়া এবং তুরস্কে৷ আর প্রায় ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ কমে যায় অস্ট্রিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, এবং স্লোভেনিয়ায়৷ তাই শীতের এই মৌসুমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলি স্বাভাবিকভাবেই পড়ে তীব্র জ্বালানি সংকটের মুখে৷ নূতন গ্যাস পাইপলাইন সিস্টেম প্রকল্পের ক্ষমতা হবে বছরে ৩১ বিলিয়ন কিউবিক মিটার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা ও আশা করা হচ্ছে ২০১৫ সালে এই পাইপলাইন নির্মাণ কার্য শেষ হবে.