রাশিয়াতে আজ পলিত হচ্ছে গৌরবময় ৬৪তম বিজয় দিবস. জার্মানির ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে এ বিজয় অর্জিত হয়. ত্রই বিজয় শুধুমাত্র রাশিয়ার জন্যই ছিল না, তা ছিল ত্রকই সাথে তত্কালিন সোভিয়েত ইউনিয়ের প্রতিটি রাষ্ট্রর . দেশকে শত্রুমুক্ত করতে ঐ যুদ্ধে প্রান দিয়েছিল ২ কোটি ৭০ লক্ষ জীবন.
রাশিয়ার ত্রই জাতীয় দিবসটি প্রতি বছরই রুশ সরকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য উদযাপন করে থাকে. রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর ক্রেমলিনে প্রতিবছর আয়োজন করা হয় বিজয় দিবসের মূল অনুষ্ঠান. বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানমালার মধ্যে প্রধান আকর্ষন ছিল ঐতিহ্যবাহী সামরিক কুচকাওয়াজ.আজ সকালে রেড স্কোয়ারে রুশ সামরিক বাহিনীর আকর্ষনীয় ত্রই কুচকাওয়াজ অনুষ্টিত হয়. অনুষ্ঠান স্থলে রেড স্কোয়ারকে রাশিয়ার জাতীয় পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়. ত্রই মর্যাদাসম্পন্ন কুচকাওয়াজে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদবেদেভ,প্রধানমন্ত্রী ব্লাদিমীর পুতিন, মন্ত্রীবর্গ , পার্লামেন্ট গাসদুমার সদস্য ও সামরিক বাহিনীর প্রধানসহ রাস্ট্রের গুরুত্বপূর্ন ব্যাক্তিবর্গ. রাষ্ট্রপতি কুজকাওয়াজে যোগদান প্রাক্কালে ত্রক সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বলেন, এ বিজয় রাশিয়ার(তত্কালিন সোভিয়েত ইউনিয়ন)জন্য ত্রক যুগান্তকারী ঘটনা .রাষ্ট্রপতি বলেন, এ বিজয় ত্রখনও সজীব. আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে রাশিয়া সর্বদাই শান্তি ও সংহতির পক্ষে কথা বলে আসছে. তিনি ত্রকটি সুখী ও সমৃদ্ধ রুশ ফেডারেশন গড়তে সবাইকে ত্রগিয়া আসার আহবান জানান. কুচকাওয়াজ পর্বে রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদবেদেভ সৈনিকদের সালাম গ্রহন করেন. এ সময় বিউগলে রাশিযার জাতীয় সঙ্গীত বেঁজে ওঠে. সামরিক বাহিনীর সাজোঁয়া যানগুলো ত্রকে ত্রকে পুরো রেড স্কোয়ার প্রদক্ষিন করে. ত্রর পরই ক্রেমলিনের বুক চিঁড়ে উড়ে যায় ৭০টির মত যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টার. সবার দৃষ্টি ছিল “রজনী প্রহরী”নামে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যুক্ত হওয়া নতুন ত্রই হেলিক্পটারটি. ত্রছাড়া ছিল বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ বিমান ”ত্রন-১২৪.রুসলান”.