চীন, জাপান ও দক্ষিন কোরিয়া আন্চলিক বৈদেশিক বৈদেশিক মুদ্রা তহবিলের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে আসিয়ান + তিন সহযোগি সংস্থা গঠন করেছে. এ বিষয়ে আমাদের পর্জবেক্ষক ইগোর ডেনিসভ বলেন, বালি দ্বীপে গত রবিবার তিন দেশের অর্থমন্ত্রীরা পিকিং, টোকিও ও সিউলের অর্থনৈতিক তহবিলের নিকট পরিমান মুদ্রা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন. ঐক্যমতে পৌছান যে চীন ও জাপান ৩৮.৪ বিলিয়ন ডলার ও দক্ষিন কোরিয়া ১৯.২ বিলিয়ন ডলার সম্মেলিত তহবিল গঠন করবে. আসিয়ানভুক্ত ১০টি দেশ সেই তহবিলে যুক্ত করবে আরো ২৪ বিলিয়ন ডলার. সব মিলিয়ে এ রিজার্ভ ফান্ডে ১২০ বিলিয়ন ডলার পর্জন্ত পৌছাবে.
বিশেষজ্ঞরা চিয়াংগমাই উদ্বোগের শেষ সিদ্ধান্তের প্রতি পর্জবেক্ষন করে যাচ্ছেন. আসিয়ান + তিন ফরমাটে অর্থনৈতিক বাজারের স্থিতিশীলতার, সহযোগিতার এই সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করবে. রিজার্ভ তহবিল হতে এই অন্চলের দেশগুলিকে ঋন দিয়ে এ অন্চলের আর্থিক স্থিতিশীলতার প্রধান ইন্সট্রোমেন্ট হিসাবে কাজ করবে. এছাড়াও এশিয়ার অর্থনৈতিক সংকট বিমোচনে চীন ও জাপান নিজেদের অর্থনৈতিক মন্দা দুর করনে বিশে, প্রোগ্রামও ঘোষনা করেছে. সাম্প্রতিক বালিতে অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে জানান হয় যে জাপান সরকার ৬ বিলিয়ন ইয়েন বা ৬০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি তহবিল গঠন করেছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশকে সাহায্য করার জন্য যে সব দেশ বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাবে বেশি ক্ষতি হয়েছে. চীন ঘোষনা দিয়েছে আসিয়ান দেশগুলিতে অবকাঠামো বিকাশে ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়গ তহবিল গঠন করার কথা, যখন পাতাইএ আসিয়ান সামিট হয়- যা থাইল্যান্ডের বিরোধী দলের বিরুদ্ধাচারনে শেষ পর্জন্ত শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি.
বালিতে অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চীন, জাপান ও দক্ষিন কোরিয়া উল্লেখ করেন যে তারা অবশ্যই বর্তমান পরিস্থিতির বিবেচনায় মার্ক অর্থনৈতিক পলিট্রিক এ অন্চলের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিস্তার ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিশেষ করে এ অন্চলে অর্থনৈতিক বিকাশের পুনরুদ্ধার করার সক্রিয় প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে. বহু এনালেটিক এ কথাও উড়িয়ে দেননা যে এই সংকটে খুব কম সময়েই এশিয়ার আন্চলিক মুদ্রা গঠনের আইডিয়া সম্পন্য সম্ভব ডলারের উপর নির্ভরতা কমিয়ে. সবক্ষেত্রেই এখন আসিয়ান দেশসমুহের সাথে চীন, জাপান ও দক্ষিন কোরিয়া চিন্তাভাবনা করছে. এ আন্চলে বিশ্ব অর্থনৈতিক ইন্সটিটিউট কেন্দ্র গঠনের যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেন্জ ছোড়া হবে. আমাদের বিশেষজ্ঞ মস্কোর আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ডিন লিউনিদ গ্রেগরিয়েড বলেন, এশিয় মুদ্রার বাস্তবিক রুপদান সময়ের দাবি মাত্র. আমরা এখন দেখছি ডলার ও ইউরোপের মধ্যে প্রতিযোগিতা. যদি এশিয়ান মুদ্রা ইউয়ান নাম নিয়ে বাজারে পদার্পন করে তাহলে এটা হবে অন্যরকম বিশ্ব. এশিয়ার যৌথ অর্থনৈতিক কেন্দ্র চীন,জাপান এশিয়ার অন্যান্য দেশের সম্মেলিত তহবিল বড় ধরনের আকারে পরিনত হবে.