মে মাসে রাশিয়া ধনাত্বক দিকে এগুচ্ছে. সমাজ বিজ্ঞানীদের তথ্য মতে বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাবে রাশিয়ার জনগন ততটা উদ্বিগ্ন নয়, বেকার সমস্যা ও আয় হ্রাস সত্বেও. বসন্তকালে মুদ্রাস্ফিতী কমেছে. তবে বেকার সমস্যা এখনও আছে কিন্তু হার কমছে. এই সমস্যা নাগরিকদের ততটা উদ্বিগ্ন করছে যতটা ছিল পুরবে. বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে রাশানরা এ মাসে কাজের জন্য কমই দরখাস্ত করেছে. তাই দেখে মনে হয় রাশানরা ধীরে ধীরে বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে, জানালেন সমাজ বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের ডিরেক্টর মিখাইল তারুমিন. তিনি বলেন, প্রথমত সংকট শুরু হওয়ার প্রায় ছয় মাস অতিক্রম করছে, এটা যথেষ্ট সময় পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া. দ্বিতীয়ত আমাদের প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে যা দিয়ে যথেষ্ট কঠিন পরিস্থিতিকে কম সময়ে মোকাবেলা সম্ভব. তাছাড়া আমরা যে কোন পরিস্থিতির সাথে মিসে যেতে পারি অন্যান্য জাতির সাথে তুলনা করলে যেমন আমেরিকানরা তাদের আমেরিকান স্বপ্নকেই বিশ্বাস করে. যদি তাদের স্বপ্ন ভেংগে যায় তাহলে তাদের সব কিছুই ভেংগে পরে কিন্তু রাশান জাতি মনে করে আল্লাহ দিয়েছে আবার আল্লাহ কেড়ে নিয়েছে. এই ধরনের বিশ্বাসে বিশ্বাসী. এই বিশ্বাসটাই আমাদের জন্য ভাল. তাই আমাদের সুখ শান্তি সময়ের দাবীতে কিছু বিঘ্ন ঘটলেও আমরা বেশি অসন্তুষ্ট হই না, বল্লেন মিখাইল তারুসিন.
এটা হচ্ছে সমস্যার কিলোসকিকেল মতবাদ. তবে এর কার্জকারী পরিমাপও রয়েছে. যদি পরিবেশকে পরিবর্তন করতে সমস্যা হয় তাহলে নিজেকে পরিবর্তন কর পরিবেশের সাথে মিলিয়ে. এই মতবাদ অনেক. নতুন গাড়ি কেনার টাকা হয়না তাই পুরাতন গাড়িই ব্যাবহার কর. ইউরোপে রেস্ট নেবার টাকা না হলে নিজের গ্রামের বাড়িতে রেস্ট নাও. সেখানে সস্তা ও খুবই শান্ত এলাকা. রাশানরা জানে খরচ কমাতে, তা অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ন যে বাহ্যিক পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিজেদের ব্যাক্তিগত বাজেট কমিয়ে সবকিছুতেই অপটিমাল সম্পন্ন করতে পারে কোন কিছু একবারেই বাদ না দিয়ে. সামাজিক সংস্থার তথ্য মতে রাশানদের বর্তমান স্ট্রাটেজি হচ্ছে সব কিছুতেই ইকোনমি করা. তথ্যমতে এখন বেশিরভাগ রাশান তাদের ব্যায়বহুল আরাম আয়েশ কমিয়ে দিয়েছে. সেল ফোনে কথা বলার পরিমানও কমিয়েছে. কিন্তু সেল ফোনো কথা বলা বন্ধ করে দেয়নি. তবে বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব তাদের উপরই বেশি প্রভাবিত হয়েছে যারা কখনও ব্যায়বহুল জীবন যাপন করেনি. যারা সল্প আয়ের লোক, পেনশন ভোগী বৃদ্ধ ও বহু সন্তানের পরিবার. এই ধরনের জনগন বর্তমান সংকটেও এমন নাটকিয় পরিস্থতি সৃষ্টি করবে না তাদের কষ্ট হলেও. তাদের রয়েছে মিতব্যায়ীভাবে চলার অভিজ্ঞতা. রাশিয়ার মধ্যম শ্রেনী এই সংকট অতিক্রম করতে পারবেনা বলে মনে হয়েছিল কিন্তু তা রক্ষা পেয়েছে. সবাই চেষ্টা করছে সংকট মোকাবেলায় পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে চলতে.