বিদ্যুত ও জ্বালানী ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে ব্রাসেলসকে স্বাগত জানিয়েছে রাশিয়া. মস্কোতে আজ জ্বালানী ও বিদ্যুত মন্ত্রনালয়ের বৈঠকে এ বিষয়ে স্বিদ্বান্ত নেয়া হয়েছে. আমাদের রেডিও রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি কন্সতানতিন গারিবয়েব জানিয়েছেন যে, রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে দ্বিপাক্ষীক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে এখন বেশী মাত্রায় গুরুত্বারোপ করছে, যদিও অর্থনৈতিক মন্দা এখনও রযেছে, তারপরও রাশিয়া প্রতিটি ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়ব্যাপী দু পক্ষের মধ্যে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে ত্রকমত পোষনের আহ্ববান জানিয়েছে.
রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বরাবরই ভাল সম্পর্ক বজায় ছিল .কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে সম্পর্কে কিছুটা স্হবিরতা আসে. কারন বছরের শুরুর দিকে রাশিয়ার গ্যাস ইউরোপে সরবরাহ নিয়ে ইউক্রেন ত্রকপ্রকার জটিলতা সৃষ্টি করে. ঐ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৫টি দেশে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়.বলা যেতে পারে ইউক্রেন তখন অনেকটা গ্যাস যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছিল.
আর এর পরিপেক্ষিতেই রুশ রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ বিদ্যুত ও জ্বালানী ক্ষেত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে রাশিয়ার অংশগ্রহন পুরোমাত্রায় নিশ্চত করতে গুরুত্বারোপ করেছেন. বিশেষ করে “উন্নয়নশীল দেশগুলো”, “জি-২০”, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন”,”স্বাধীন কমনওয়েলথভুক্ত দেশসূমহের” সাথে পূর্নমাত্রায় বিদ্যুত ও জ্বালানী ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে রাশিয়া নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করছে. মস্কো আসা করছে ত্রই নতুন চুক্তিপত্র অনুসারে পাস্পরিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাবে.
এদিকে রাশিয়ার অন্যতম জ্বালানী তেল রপ্তানী প্রতিষ্ঠানের এক উধ্বর্তন কর্মকর্তা আলেক্সেই বেলওগেরেব বলেন, ত্রটা সত্যি যে, এখনও আন্তর্জাতিকভাবে কোন প্রকার সম্মতিসূচক চুক্তিপত্র নেই যেখানে রপ্তানী প্রতিষ্ঠান, পরিবহন ট্রানজিটসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে কোন প্রকার জনিলতা সৃষ্টি না হয়. তিনি বলছেন যে, সেই দৃষ্টিকোন থেকেই রাশিয়া চাচ্ছে নতুন ত্রই চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করতে.
বর্তমানে রাশিয়ার সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রয়েছে যথেষ্ট ভাল সম্পর্ক,বিশেষ করে জ্বালানী ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক আরও উন্নয়নে ত্রখন গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে.মস্কোতে আজকের এই আলোচনা শেষে অতিশীঘ্রই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও রাশিয়ার সাথে বিদ্যুত ও জ্বালানী ক্ষেত্রে সম্পর্ক নতুনমাত্রার রূপ নিবে বলে আশা করা হচ্ছে.