শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সামরিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ বৈঠক নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়. তবে রাষ্ট্রনেতার এ ধরনের সাক্ষাত এই প্রথম. দিমিত্রি মেদভেদেভ শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সভাপতি হিসাবে এই প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের সাথে সাক্ষাত করেছেন.
ক্রেমলিনে আমাদের জানান হয় যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের সাথে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সাক্ষাতে এ সংস্থার বিকাশের পরিপ্রেক্ষিত এবং আন্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার প্রশ্ন আলোচিত হবার কথা. শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সহযোগিতার ধারনা বাস্তবায়নে সহায়তা করার জন্য তা নির্দেশিত. এ সংস্থার কাঠামোতে যথাযথ সহযোগিতা কোন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নির্দেশিত নয়. চীনা মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের ফলাফল সম্পর্কে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন যে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কে আমরা খুবই সন্তুষ্ট. জুলাই আগষ্টের জন্য নির্ধারিত আছে শান্তির মিশন -২০০৯ নামে রুশ চীনা মিলিত মহড়া. প্রথম প্রশ্ন হবে এ মহড়ার প্রস্তুতি প্রসংগে. এতে পক্ষ নেবে রাশিয়ার সংখ্যাবহুল ব্যাটেলিয়ান. প্রথম পর্জায় অনুষ্ঠিত হবে রাশিয়ায় ও দ্বিতীয় পর্জায় অনুষ্ঠিত হবে চীনে. ব্যাপারটা হল এই যে নারকোটিকের চোরাচালানের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার অন্যতম প্রধান ধারা. গত বছরে এই নারকোটিক বিপদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কেই শাংহাই সহযোগিতা সংস্থা ও জাতিসংঘের সাথে চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছিল.
শাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় অংশগ্রহন রাশিয়ার পররাষ্ট্রনীতির একটি প্রাধান্যমূলক ধারা. ২০০৮ সালের আগষ্ট থেকে রুশ ফেডারেশন এ সংস্থার সভাপতিত্ত করছে.