রুশ সরকারের অন্যতম অগ্রাধীকার মূলক কাজ হল সামাজিক ক্ষেত্রে দেশের নাগরিকদের দেয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি অর্থনৈতিক সংকট সত্বেও তা পালন করবে. রেডিও রাশিয়ার সাথে দেয়া সাক্ষাত্কারে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সচিব দিমিত্রি পেসকভ তা জানিয়েছেন.
রাশিয়া বিশ্ব আর্থিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব বিমোচনের প্রস্তুতি নিয়েছে খুব ভালভাবে যদি অন্যান্য দেশের সাথে তুলনা করা হয়. তবে রাশিয়ারও সমস্যা আছে উল্লেখ করেন পেসকভ. বর্তমান বছরের প্রথম তিন মাসের অর্থনৈতিক সূচক অনুযায়ী এক মিলিয়ন ৮০০ হাজার রাশিয়ার নাগরিক চাকরী হারিয়েছে. বেকার সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলছে. তবে দিমিত্রি পেসকভ স্বীকার করেন চাকরী হারানো বেকারের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি হত যদি সরকার সময় মত পদক্ষেপ নিত. তিনি বলেন সরকারের পদক্ষেপ গুলির মধ্যে আছে সরকারী বেতনভূগী কর্মচারীদের নতুনভাবে তৈরী করন, অনেকেই এই সময়ে বিভান্নভাবে তাদের কোয়ালিফিকেশন মান উন্নয়ন করছে. কেউ কেউ সামাজিক কার্জক্রমে মনোনিবেশ করছে. অনেকেই নিম্ন বেতনে অস্থায়ী ভাবে এই সংকট সময়ের জন্য বিকল্প কাজ করে যাচ্ছে. সবাই কিছু না কিছু নিয়ে ব্যাস্ত সংসার চালানর জন্য. তাই সময়ের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপের ফলাফল বয়ে আসছে. আশা করি এভাবে বেকার সমস্যা কমিয়ে নিয়ে আসবে. যে লোক চাকরি হারাচ্ছে সে কিছু করতে সক্রিয় হয়ে উঠছে. একই সাথে সরকার নতুন কর্মস্থল সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে সংকটের এই কঠিন সময়ে জীবন ধারন করে যেতে পারে.
তবে সরকারের সংকট বিমোচনের কৌশল পত্র একবারে সবকিছুর সমস্যা সমাধান করতে পারবে না. উল্লেখ করেন সরকার প্রধানের তথ্য সচিব. তবে এর শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত. এর মাধ্যমে সংকটের প্রভাব কিছুটা হলেও উপশম হবে. বিভিন্ন এ্যানালেটিকদের মতামত অনুযায়ী রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা পুনরুদ্ধার সম্পুর্ন নির্ভর করছে কতটা কম সময়ে তা নিজের পায়ে দাড়াতে পারে. দিমিত্রি পেসকভের মতে আজকের বিশ্বায়নের যুগে বিশ্ব সমাজ ব্যাবস্থা হত কোনভাবে সম্পুর্নরুপে আত্বনির্ভর হওয়া সম্ভব নয় গ্লোবাল অর্থনীতির আলোকে.
আমরা একে অন্যের উপর নির্ভরশীল ধনাত্বক অথবা ঋনাত্বক প্রক্রিয়ায়, যা আমাদের অন্চলে ঘটছে. প্রতিবেশীদের শেয়ার বাজার হতে, এবং প্রতিবেশী দেশের উত্পাদন প্রক্রিয়া হতে আলাদা হওয়া সম্ভব নয়. তবে তা সম্ভব শুধু তখনি যখন দীর্ঘস্থায়ী প্রোগ্রামের মাধ্যমে অন্তত পক্ষে ২০২০ সালের সাফল্যজনক পরিকল্পনার পর উল্লেখ করা গুরুত্বপুর্ন যে যদিও আমরা সংকটে কঠিন সময় অতিক্রম করছি কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে আমরা আমাদের অর্থনৈতিক আধুনিকিকরন ও দিক বৃদ্ধি বন্ধ রাখছি. সবাই মিলে আমাদের চেষ্টা করতে হবে সরকারের পদক্ষেপ গুলির কিছু অংশ বাস্তবায়নে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া. এবং এর মাধ্যমে আমাদেরকে প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে সংকটোত্তর অর্থনীতি দাড় করাতে.
এই সংকট অতিক্রম করার একমাত্র উপায় দিমিত্রি পেসকভ উল্লেখ করেন একটিভনেস, উত্পাদন বৃদ্ধি, আধুনিকিকরন ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার অর্থনীতির আলোকে এগিয়ে যওয়া. আমরা এ পথেই কাজ করে যাচ্ছি. এর বেশির ভাগই সরকারের এন্টি ক্রাইসিজ পদক্ষেপগুলি গতি নির্ধারিত.