জাতিসংঘের জেনেভা সম্মেলন বর্নবাদের বিরুদ্ধে লড়াই এ স্বীকার করা হয়েছে বর্নবাদ ও কট্টর জাতিয়তাবাদ রাজনৈতিক বিষয়কে কট্টর পদক্ষেপে হাতিয়ার হিসাবে ব্যাবহার করা হয়. এ বিষয়ে আমাদের রেডিও রাশিয়ার পর্জবেক্ষক আলেগ গ্রীবকও বলেন, এ সম্মেলনের পুরু কৃতজ্ঞতাই জানান উচিত ইরানের প্রেসিডেন্টকে. এ সম্মেলনের দ্বিতীয়ার্ধে মাহমুদ আহমাদীনেজাদ তার অনেক ব্যাক্তিগত সমস্যাও সমাধানের চেষ্টা করেন. এ অন্চলের পরিস্থিতির বিবেচনায় এবং তা অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ন বিষয়.
যদি গতকাল পর্জন্ত আহমাদীনেজাদ ইরানের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নিরবাচনের একজন জনপ্রিয় নেতা হিসাবে বিবেচনা করা হয় তাহলে আজ থেকে তাকে ধরা হবে তিনিই ইরানের জন্য একজন বাস্তববাদী প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী. আহমাদীনেজাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধীরা হয় চুপ করে আছে না হয় তার কথার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধাচারন করে যাচ্ছে. আসন্ন নিরবাচনে আহমাদীনেজাদের নিরবাচনী স্টাবরা বর্তমান আন্তর্জাতিক এই কলহ নিরবাচন পর্জন্ত ব্যাবহার করতে পারবে. এই আন্তর্জাতিক কলহ অনেকদিন পর্জন্ত চলতে থাকবে. কোন সন্দেহ নেই. তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট জেনেভায় এমন কিছু বলেনি যা পূরবে বলা হয়নি. তিনি বলেন ইহুদীবাদী হল বর্নবাদের মূল উদ্দেশ্য. একে জীবিত রেখে বর্নবাদ নির্মূল কখনই সম্ভব নয়. ইহুদীবাদ আসলে ধর্মের লেবাসে সহজ সরল মানুষদের মনে বর্নবাদের বীজ বপন করছে. আহমাদীনেজাদ বর্নবাদ দমনের আগে ইহুদীবাদ দমনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান. তার কথা সবাই মনযোগ দিয়ে শ্রবন করে এবং এর প্রতিক্রিয়াও হয় প্রবল. প্রথমত ইজরাইলে গতকাল তাদের বিপর্জয় বা দূর্ঘটনা দিবস পালন করেছে. হিটলার কতৃক ইউরোপিয় ইহুদী নিধনের স্মরন করে এই দিবস পালন করে আসছে. এবং এই সুবাদে ইজরাইলের নব নিরবাচিত প্রধানমন্ত্রী বেন্জামিন নেতা নিহাহু বলার সুযোগ পেয়েছেন. নেতা নিহাহু বলেন, হিটলার কতৃক এই দূর্ঘটনাকে কেও অস্বীকার করুক তা আমরা হতে দিব না . তার কথায় বুঝা যায় ইজরাইলের নতুন কেবিনেট ইরানের পারমানবিক অবজেটে বিমান হামলার আলামত বহনের পূরবাভাস মাত্র. এই ধরনের যদি কিছু ঘটানর চেষ্টা করতে চায় তাহলে এই অন্চলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দীর্ঘ সময়ের জন্য উত্তপ্ত বিস্তার করবে. অনেক সময় কারো বক্তব্য পারমানবিক বোমার চেয়েও বেশি ক্ষতি করে. এখন থেকে এই অন্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাই সবার বক্তব্য সাবধানতার সহিত প্রয়োগ করা উচিত. এ অন্চলের শান্তি আলোচনা ধীর গতি ও অন্যান্য বিষয় অসমাধানকৃত হওয়া সত্তেও অনেক ভাক যদি না আবার নতুন কোন ঘটনার সৃষ্টি হয়. তবে শান্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বরতমান পরিস্থিতি শান্ত করার প্রয়োজন রয়েছে. এ বিষয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের নিকট প্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি আলেকজান্দর সালতানোভ যিনি সবেমাত্র এ অন্চলে সফর করে গেলেন তিনি বলেন. মনে করুন একটি বাড়ি দূর্ঘটনায় জরাজীর্ন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাহলে ঐ বাড়ির মাত্র একটি রুম ঠিক করেই সম্পুর্ন বাড়িটির ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা যাবে না. তাই আমরা চাই এ অন্চলের সামগ্রিক বিষয়ে পূর্ন ফরমাতে আলোচনা করতে যেখানে কিলিস্থান- ইজরাইল ও লিবিয়া- লিবিয়া ও ইজরাইল ও লেবানন- ইজরাইল বিষয় রয়েছে. অন্চলিক পরিস্থিতি সাধারন পর্জায়ে নিয়ে আসার জন্য ব্যাপক আলাপ আলোচনার প্রয়োজন. বিশে, করে নিকট প্রাচ্যের সব রাষ্ট্রের ও তার নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানে.
এই বিষয়গুলি আলোচনা হবার সম্ভাবনা রয়েছে নিকট প্রাচ্য বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে মস্কোতে.