যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থা তার ১৫ বছরে বিশ্বব্যাপী ও আন্চলিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরনে নির্ভরযোগ্য ব্যাবস্থায় পরিনত হচ্ছে. আমাদের ভাষ্যকার ভিয়াচেস্লাভ সলোভিয়েভ জানাচ্ছেনঃ মনে করিয়ে দেই যে জাতিসংঘের সাধারন এ্যাসেম্বলির পর্জবেক্ষক স্থিতি পাওয়া এ সংস্থায় এখন রয়েছে সাতটি দেশ-আর্মেনিয়া, বেলারুশিয়া, কাজাখস্থান, কিরগিজিয়া, রাশিয়া, তাজিকিস্থান ও উজবেকিস্থান. যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থার বিধানিকভাবে সূত্রবদ্ধ লক্ষ্য.তার সমস্ত সদস্য রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূভাগীয় অখন্ডতা সুনিশ্চিত করা. সংস্থা কোন দেশের জন্য বিপদ দেখা দিলে বাকি সমস্ত দেশ তাকে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সাহায্য সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় সাহায্য দেবার বাধ্যকতা গ্রহন করছে. তাছাড়া সংস্থার রাষ্ট্রগুলির সাথে সামরিক –রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রাধান্যমূলক চরিত্রের ধারা বলবত আছে.
এই ১৫ বছরে সংস্থা পুর্নমাত্রার সামরিক –রাজনৈতিক সংস্থা হিসাবে গঠনের পর্জায়ে মোটামুটিভাবে শেষ করেছে. বিশেষ করে যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থার স্থায়ী শান্তি বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়. আমাদের বেতার কেন্দ্রকে যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থার সেক্রেটারী ভিতালী স্ত্রগাভেত্স বলেন-বর্তমানে বিশ্বপ্রয়োগ ক্ষেত্রে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার স্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরত শান্তি বাহিনী নেই. এমনকি জাতিসংঘেও প্রত্যেক রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা আছে. শান্তিস্থাপন ক্ষমতার দিক থেকে, তবে তারা এ বাহিনী দিতে বাধ্য শুধু নির্দিষ্ট সময়ের জন্য. যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থার স্থায়ী শান্তি বাহিনী যখন তা গঠিত হবে তখন তা যেকোন সময়ে, যেকোন অন্চলে কর্তব্য পালনে প্রস্তুত থাকবে. এখন কর্তব্য হল এই শান্তি স্থাপনের ক্ষমতাকে একক বাহিনীতে সুসংবদ্ধ করা. আর তখন যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থার কাঠামোতে, তেমনি জাতিসংঘের পতাকাতলে যেকোন অভিযানে অংশ নিতে পারবে.
যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থার ফলপ্রসুতা বৃদ্ধির পথে একটি গুরুত্তপুর্ন পদক্ষেপ হল দ্রুত মোতায়েনের যৌথ বাহিনীকে তত্পর প্রতিক্রিয়ার বাহিনীতে রুপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত. যখন প্রত্যেক বাহিনী কাজ করত জাতীয় অধীনতার মূলনিতী বজায় রাখার পরিবেশে, নতুন বাহিনী স্থায়ী ভিত্তিতে থাকবে রাশিয়ার ভূভাগে. এ বাহিনী ব্যাবঋত হবে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিশেষ অভিযান চালানর জন্য, আন্তর্জাতিক সুসংবদ্ধ অপরাধ প্রবনতা ও নার্কোটিকের চোরাচালানের বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিশেষ অভিযান চালানর জন্য. যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থার দেশগুলি একাধিকবার আফগানিস্তানে ও পাকিস্তানে, এ অন্চলে সন্ত্রাসবাদের বিরোধীতার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য রাষ্ট্রের সংগে পুর্ন পরিসরের সরবাত্বক সমবায়ের জন্য প্রস্তুতি প্রকাশ করেছে.