আজারবাইজানের গ্যাস রাশিয়ায় সরবরাহের বিষয়ে আলোচনা অবশ্যই সন্তোষজনকভাবে শেষ হবে. এই ধরনের মতবাদ করেছেন রুশ টেলিচ্যানেল “বেছটি” র সাথে দেয়া এক সাক্ষাতকারে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ.
তিনি বলেন, এই সমঝোতা আজারবাইজানের গ্যাস ক্ষেত্রের নতুন সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে এবং রাশিয়ার সাথে এ ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহযোগিতায় পেরস্পেকটিভ রয়েছে. ইলহাম আলিয়েভ স্মরন করেন যে বর্তমান সময়ে আজারবাইজান প্রতি বছর ৭ বিলিয়ন ঘন মিটার গ্যাস তুরস্কে রপ্তানি করছে. এবং তুরস্ক সে গ্যাসের কিছু অংশ গ্রিসেও রিএক্সপোর্ট করেছে. এবং অন্য গ্যাস পাইপ লাইনের মাধ্যমে জর্জীয়াতেও গ্যাস রপ্তানি করছে এবং তৃতীয় পাইপলাইন দিয়ে ইরানের সাথেও আদান প্রদান হচ্ছে, উল্লেখ করলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট. আমাদের প্রতিবেশীদের মধ্যে একমাত্র রাশিয়ার সাথেই কোন কার্জকর ফলাফল এখনও নেই. ইলহাম আলিয়েভ আরোও বল্লেন যে এই শুন্য অংশটুকু পুরন করে গ্যাস সরবরাহের নতুন দিক বৃদ্ধি করবে. আজারবাইজানের জন্য রাশিয়ার বাজার খুবই আকর্ষনীয়. রাশিয়ার পক্ষেও এ ক্ষেত্রে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে. এই ধরনের প্রস্তাব রাশিয়া এক বছর আগেই দিয়েছে. আমরা তা সন্তুষ্ট সহকারে গ্রহন করেছি. সম্প্রতি গ্যাসপ্রম ও আজারবাইজানের রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম কম্পানির সাথে স্বারক পত্র সাক্ষর করেছে. এখন আলেচনা চলছে. অবশ্যই কম্পানি সব রকম শর্ত সমঝোতা করবে বিশেষ করে কমার্শিয়াল, ট্যাকনিকেল ও সরবরাহের গ্যারান্টির বিষয়ে সম্পুর্ন প্যাকেজ যা উভয় কম্পানি সিদ্ধান্ত নিবে. সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি তাহল দুদেশের মধ্যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা রয়েছে গ্যাস ক্ষেত্রে পরস্পর সহযোগিতা বিকাশে. তাই আলোচনা সফলভাবে শেষ হলে চুক্তি সাক্ষর করা হবে.
ইলহাম আলিয়েভ “নাবুক্ক” (সেন্ট্রাল এশিয়-ইউরোপ) প্রজেক্টের গ্যাস পাইপ লাইন নির্মানের বিষয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বল্লেন যে এ বিষয়ে ইউরোপিয় ইউনিয়নের সদস্যরা সক্রিয় রয়েছেন. যদি আমাদেরকে ট্রানজিটের প্রস্তাব করা হয় তাহলে আমরা অবশ্যই আনন্দের সাথে গ্রহন করব. যেহেতু আমাদের দেশের সীমানার উপর দিয়ে ইউরোপ ইউনিয়ন গ্যাস সরবরাহ করবে.তবে এখনও বলা কঠিন এই প্রজেক্ট কখন গতি বৃদ্ধি হবে মৃত বিন্দু হতে কারন এখনও গ্যাসের চাহিদা পুরনের ক্ষমতা ও ট্রানজিট বিষয়ে সবাই সমঝোতায় আসতে পারেনি. গুরুত্বপুর্ন রাজনৈতিক সমর্থন ছাড়া এই প্রকল্প চালু করা খুবই কঠিন. একই সাথে আলিয়েভ উল্লেখ করেন রাশিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে পাইপলাইন তৈরী আছে যার মাধ্যমে বছরে ৫ বিলিয়ন ঘন মিটার গ্যাস ধারন ক্ষমতায় সরবরাহ সম্ভব. এবং রাশিয়াও তাদের পাইপলাইনের মাধ্যমে আজারবাইজানের গ্যাস ইউরেপে রি- এক্সপোর্ট করতে পারবে.