রাশিয়ার সব জায়গায় বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট এবং সংকট বিমোচনের কৌশল পত্রের  নির্ধারন নিয়ে আলোচনা চলছে যে সংকটেও অর্থনিতী যেন আরো বেশি শক্তিশালী হয়. অর্থনিতীবিদ ও ব্যাবসায়ী বৃন্দ স্বীকার করে যে বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট তাদের কাছে একেবারে হঠাত সৃষ্টি বলে মনে হয়নি.
বিশেষজ্ঞদের মতে মানব জাতি একবিংশ শতাব্দিতে প্রযুক্তি চেইনের সুউচ্ছ পর্জায়ে চলে এসেছে. তাই এর দিক পরিবর্তনের প্রয়োজন. যেহেতু আইডিয়া তথ্য প্রযুক্তির সাথে জড়িত এবং শিল্প বিপ্লবের পর সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অর্থনিতীর খোলসা প্রযুক্তি অর্থাত পিরামিড অর্থনিতীর আলোকে চালিয়ে আসছে. বিশেষজ্ঞদের অভিমত পূরববর্তী অর্থনৈতিক সংকট ছিল- বিকাশের সংকট আর এবারের সংকট স্থিতিশীলতার.
নন-কমার্সিয়াল কর্মসূচী ফান্ড “ ডাইনেষ্টি” র প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি জিমিন বলেন-প্রকৃতপক্ষে বিশ্বে বুনিয়াদি গ্লোবাল পরিবর্তন হচ্ছে. আগে কখন এমন হয়নি. মার্কিন প্রেসিডেন্টের বারাক ওবামার কথাই ধরুন, তিনি বলেছিলেন তিনি পরিবর্তন চান. অথচ আমরা স্থিতিশীলতার লেজ ধরেই বসে আছি. আমি মনে করি না যে রাশিয়ার সবকিছু স্থিতিশীল রয়েছে. বিশেষ করে আমাদের সংস্থা বা ইন্সটিটিউটগুলির পরিবর্তন. আমার দৃঢ় বিশ্বাস বর্তমান সংকট রাশিয়ার অর্থনিতীর ভিত্তিকে আরো শক্তিশালী করবে. তবে এখন আমরা এর প্রস্তুতি ভালভাবে নিতে পারিনি বল্লেন দিমিত্রি জিমিন.

বিশেষজ্ঞদের মতে রাশিয়ার সরকার সংকট বিমোচনে যে পদক্ষেপ গ্রহন করছেন তাতে অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল হবে. এবং আরো নতুনত্বের প্রয়োজন. সমস্যা এখানে যে রাশিয়া যে মডেল তৈরী করেছে তাহল প্রাকৃতিক সমন্ধের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বিকাশের মাত্রা অসীম ও মূলধনের লভ্যাংশ. এভাবে চলতে থাকলে সফলতারও শেষ হবে.
অন্যরকম মতবাদও রয়েছে যে ইনোভেশান অর্থনিতী সবসময় ভালো বিনিয়োগ আসেনা. রাশিয়ার পক্ষেও সম্ভব সমন্বয় সাধন. পশ্চিমা বিশ্ব অলরেডি যে প্রযুক্তি গঠন, কাটছাট, বিশেষ করে তাদের ব্যায় কমান, রাশিয়ার প্রয়োজন আগে হউক. আর পরে হউক পশ্চিমাদের মডেলের অনুকরন করা. পুরাতন মডেল পরিহার করে নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো গঠন করা. সবচেয়ে ভাল যে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা বিভিন্ন ক্ষেত্রের আধুনিকীকরনে বিশেষ করে নতুন অর্থনৈতিক ক্ষেত্র তৈরী করা. পরিস্থিতি মোকাবেলায় বেশি সুযোগ সুবিধাই উত্কৃষ্ট নয় বরং বিকল্প পদ্ধতিই উত্কৃষ্ট.