জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ উত্তর কোরিয়ার রকেট উত্ক্ষেপনের নিন্দে সহ নিজের সভাপতির বিকৃতি প্রকাশে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ফিয়ংইয়ং কোরিয় উপদ্বীপের নিঃপারমানবিকীকরন সংক্রান্ত ছয়পাক্ষিক আলাপ আলোচনা বয়কট করার কথা ঘোষনা করে. ফিয়ংইয়ং তাছাড়া নিজের পারমানবিক অস্ত্রের কর্মসূচী পুনবারম করার ভয় দেখায় যা এ আলাপ আলোচনার ফলে অচলাবস্থার কথা হয়েছিল.
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয় ইতিমধ্যে ঘোষনা করেছে যে ফিয়ংইয়ং এর সিদ্ধান্তে দুঃখিত এবং উত্তর কোরিয়ার কতৃপক্ষকে আহবান জানাচ্ছেন ছয় পাক্ষিক আলাপ আলোচনায় ফিরে আসার. উপরন্ত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের অর্থ উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে বাধা নিষেধ ব্যাবস্থা করার কথা হয়, আর নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির বিবৃতি উক্ত পরিস্থিতিতে উপযুক্ত. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এ বিবৃতি সম্পর্কে জাতিসংঘে রুশ ফেডারেশনের স্থানীয় প্রতিনিধি ভিতালী চুর্কিন মন্তব্য করে বলেন আন্তর্জাতিক জনসমাজ ফিয়ংইয়ংকে স্পষ্ট সংকেত দিতে বাধ্য ছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত শ্রদ্ধা করার ব্যাপারে. অন্য এক সারি দেশের মত রাশিয়াও এ উত্ক্ষেপনের আগ পর্জন্ত তা না করার জন্য উত্তর কোরিয়াকে বোঝানর চেষ্টা করে. এ কথা উল্লেখ করে যে এর নেতিবাচক রাজনৈতিক পরিনতি হতে পারে.আশা করে যে এ সংকেত শুধু ফিয়ংইয়ং নয় ছয় পাক্ষিক আলাপ আলোচনায় অন্যান্য শরিক এবং আন্তর্জাতিক জনসমাজও শুনছে. এভাবে কোরিয় উপদ্বীপের নিঃপারমানবিকীকরন সংক্রান্ত কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক কাজ চালিয়ে যাওয়া যাবে. আর উত্তর পূরব এশিয় অন্চলে শান্তি ও স্তিতিশীলতা স্থাপন করা যায়,আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির বিবৃতির প্রতি ফিয়ংইয়ং প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কোরিয় ব্যাপার সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ গেওর্গি বুলিয়েভ বলেন যে এ প্রতিক্রিয়া খুবই পূরবাভাস যোগ্য ছিল.
তিনি বলেন ফিয়ংইয়ং এর পারমানবিক কর্মসূচী খাস সংলাপের প্রতিক্রিয়া বন্ধ করার মত বিপজ্জনক নয়. ব্যাপারটা হল এই যে উত্তর কোরিয়ার প্লুটোনিয়াম উত্পাদন পুনরারম্ভ করতে যথেষ্ট সময় লাগবে আর আমি আশা করি এ সময়ের মধ্যে আপোষ খুজেঁ বের করা যাবে. তবে সংলাপে বিরতি ঘটলে তা গোটা প্রক্রিয়াকে পেছনে ফেলে দিবে এবং আবার একেবারে গোড়া থেকে শুরু না করলেও সেইসব স্থিতি থেকে শুরু করতে হবে যা অতিক্রান্ত হয়েছিল কয়েক বছর আগে. রাশিয়ার অবশ্যই যথাসম্ভব কূটনৈতিক সক্রিয়তা প্রকট করা উচিত যাতে ছয়পাক্ষিক প্রক্রিয়া ফিরে আসার জন্য সমস্ত সংলাপি বোঝান যায়.
কিছু কিছু বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেছেন যে ফিয়ংইয়ং এর বিবৃতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি প্রত্যাক্ষ সমালোচনাকেই. দক্ষিন কোরিয়া একে ওয়াসিংটনের সাথে ফিয়ংইয়ং এর প্রত্যাক্ষ আলাপ আলোচনা সম্ভাবনার সংকেত হিসাবে বিবেচনা করে যেতে পারে. এভাবে এ ক্ষেত্রে ছয়পাক্ষিক আলাপ আলোচনায় শরিকদের সংগে উত্তর কোরিয়ার দরাদরির উপাদান বাদ দেয়া যায় না. পরবর্তী সামাজিক অর্থনৈতিক বোনাস পাবার জন্য.