মস্কো উত্তর কুরিয়ার রকেট উত্ক্ষপেন কেন্দ্র করে যে সরগোল শুরু হয়েছে তা বাদ দিয়ে বিশ্ববাসীকে কোরীয় উপদ্বীপের নিঃপারমানবিকীকরনের উপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে. জাতিসংগের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যের পরামর্শমূলক বৈঠকে জাতিসংগে রাশিয়ার স্থায়ীপ্রতিনিধি বিতালী চুর্কীন এ কথা বলেন. বৈঠকে নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্য রাশিয়া, চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রাম্স ছারাও জাপান অংশগ্রহন করে. রাশিয়ার কুটনৈতিক মনে করেন যে উত্তর কুরিয়ার পারমানবিক ও রকেট সমস্যকে কেন্দ্র করে যে ছয় পাক্ষিক আলোচনায় যে সফলতা অর্জিত হয়েছে তাকে নষ্ট করে দেওয়া যাবে না. স্মরন করছি ছয় পাক্ষিক আলোচনার সদস্য দেশগুলি হলো রাশিয়া, চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দুই কোরীয়া. উত্তর কুরিয়া হুশিয়ারী দিয়ে বলেছে জাতিসংগের নিরাপত্তা পরিষদ যদি তার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনে তাহলে ছয় পাক্ষিক আলোচনা থেকে সরে যাবে. মস্কো মনে করে প্রথমে ছয় পাক্ষিক সদস্যদের সমঝোতা হওয়া উচিত এবং সবার সমান অধিকার থাকা উচিত মত প্রকাশে বল্লেন বিতালী চুর্কীন.
রাশিয়া ও চীন এ উত্ক্ষেপন সম্পর্কে যথাসম্ভব পূর্ন তথ্য লাভের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন.তারা বলেন প্রথমে সমস্ত তথ্য বিশ্লষন করা প্রয়োজন তারপর সিদ্ধান্তে আসা উচিত. উপরন্তু রাশিয়া বা মার্কিনী সামরিক কর্মকর্তারা কক্ষ্যপথে এমন স্যাটেলাইট স্থাপনের খবর সমর্থন করছে না. এ ঘটনা উপলক্ষে রেডিও রাশিয়ার সংবাদদাতার সঙ্গেআলাপে নিজের মত প্রকাশ করেন রাশিয়ার বিজ্ঞান অ্যাকাডেমির দূর প্রাচ্য ইনষ্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর সের্গেই লুজিয়ানিন বলেন, — এ উত্ক্ষেপন সামরিক চরিত্র ছিল কিনা তা নলা কঠিন. আর এক্ষেত্রে সরকারীভাবে ফিয়ংইয়ং কক্ষপথে যোগাযোগ স্পুটনিক স্থাপনের কথা বলেছে. উক্ত ঘটনা অস্বীকার করা বা প্রমান করা কঠিন. সেজন্যই, মহাজাগতিক স্পুটনিক উত্ক্ষেপন এবং পারমানবিক রননৈতিক ব্যালেষ্টিক রকেট পরীক্ষার নিষেধ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক চক্তির ধারার কোন ধরনের ব্যাখা আছে. এই বৈপরীত্যেই ব্যবহার করেছে ফিয়ংইয়ং, তবে মনে হয়, প্রযুক্তিগত দিক থেকে পূর্নমাত্রায় নয় – এ ঘটনা ঘটেছে কি ঘটে নি, যার কথা সমগ্র পৃথিবী এবং উত্তর কোরিয়ার নেতৃবৃন্দ বলছেন? তবুও উত্তর কোরিয়া পুর্নমাত্রায় না হলেও ৯০ শতাংশ নিজের লক্ষ্য সাধন করেছে এর মাধ্যমে.
বিশেষজ্ঞমন্ডলি মনে করেন যে প্রথমে কোরীয় উপদ্বীপের নিঃপারমানবিকীকরন করা উচিত. উত্তর কোরিয়ার পারমানবিক অশ্র থাকলে তা হবে বিশ্ব সমাজের জন্য উদ্গিনতার বিষয়. যদি ফিয়ংইয়ং ছয় পক্ষিয় আলোচনার সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে মেনে নেয় তাহলে রকেট উত্ক্ষেন সমস্যা এমনিতেই শেষ হয়ে যাবে.