0রাশিয়া ককেশাসের দেশগুলির সাথে পরস্পর সম্পর্ক গড়ে তুলছে আন্তর্জাতিক বিধানের ভিত্তিতে. তা সমর্থিত হয়েছে আবখাজিয়া ও দক্ষিন অসেটিয়ার সংগে মৈত্রী, সহযোগিতা ও পরস্পর সাহায্যের চুক্তিতে. এসব ঐতিহাসিক দলিল আজ সমারহের সাথে সাক্ষরিত হয় ক্রেমলিনে তিন দেশের রাষ্ট্রপতিদের আমন্ত্রনে. ইকেতেরিনা কক্ষে অনুষ্ঠিত সমারহে আমাদের সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন. তার বর্ননায়- এখন থেকে রাশিয়া আর দক্ষিন অসেটিয়া শান্তির বিপদ দূর করার এবং তাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসী প্রতিরোধের জন্য একত্রে ব্যাবস্থা গ্রহন করবে. তারা পরস্পর প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে. সেই সংগে সামরিক সাহায্য ও সম্ভাবনা অনুমিত আছে জাতিসংঘের সংবিধানের ৫১ নং ধারায়. এই আন্তর্জাতিক বিধানের দিকের কথা বিশেষ করে উল্লেখ করেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ জাতিসংঘের পরে নিজের বক্তৃতায়.


0দমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, মৈত্রী, সহযোগিতা ও পরস্পর সাহায্য সংক্রান্ত চুক্তি. আবখাজিয়া ও দক্ষিন অসেটিয়ার সংগে আমাদের দ্বীপাক্ষিক সম্পর্কের বিধানিক বুনিয়াদ গঠনের জন্য সর্বপ্রধান বিষয়. এদের সংগে সম্পর্ক গঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক বিধানের ভিত্তিতে. আজ আমাদের জাতিগুলির কল্যানের জন্য অতি ব্যাপক ও সর্বাত্তক শান্তি কামনার জন্য বুনিয়াদ গঠিত হচ্ছে . আর আমাদের সীমানা কারধারী, সাংস্কৃতিক সাধারন সামরিক যোগদানের জন্য খোলা থাকবে.


0মস্কো আবখাজিয়া ও দক্ষিন অসেটিয়ার ভূ-ভাগীয় অখন্ডতা এবং এ দুদেশের সংগে বিদ্যমান সীমানার অখন্ডনীয়তা সমর্থন করেছে. দমিত্রি মেদভেদেভ বলেন, রাশিয়ার সংগে বুনিয়াদ দলিলের সাক্ষর দক্ষিন অসেটিয়া ও আবখাজিয়ার জনগন কষ্ট অর্জন করেছে. জর্জিয়া এ প্রজাতন্ত্রের সংগে সাধারন সম্পর্কের বিধানের উদ্যেগ নিযেছিল. এ দুদেশের জনগনকে বহু দুঃখ কষ্টে ভুগিয়েছিল. আগ্রাসকের বিশ্বাস ঘাতকতাপূর্ন ক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটিয়েছে রাশিয়া. ২০০০সালের ২৬শে আগষ্ট আবখাজিয়া ও দক্ষিন অসেটিয়ার স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিয়ে. এখন মুখ্য কর্তব্য এ দু প্রজাতন্ত্রের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেন, জর্জিয়ার আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি এবং সেখানে প্রতিশোধমূলক মনোবৃত্তি আড়াল করা হচ্ছে না, গোটা আন্চলিক পরিসরের বিপর্যয় ঘটবে. সেজন্য কারো কোন সন্দেহ থাকা উচিত না. রাশিয়া নতুন সামরিক দুপ্রয়াস ঘটতে দেবে না. এ ব্যাপারে কারো কোন সন্দেহ থাকা উচিত নয়. আজ সাক্ষরিত চুক্তির বিপুল গুরুত্ত থাকবে. বহু কষ্টে পীড়িত বহুজাতিক ককেশাস অন্চলের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিকাশের . তা এ গোটা অন্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার গ্যারান্টি দেয়.