0ককেশাসে জর্জীয়-দক্ষিন ওসেতীয় সংঘর্সের এলাকায় সংকট-সমাধানে রুশ- জার্মান শীর্ষসাক্ষাতের মূখ্য আলোচ্য বিষয়. দমিত্রি মেদভেদেভ এবং ফেডারেল জার্মানির চ্যান্সেলার আংগেলা মের্কেল ছটি মূলনীতির ভিত্তিতে শান্তিপূর্ন মীমাংসার পরিপ্রেক্ষিত আলোচনা করছেন, যে মূলনীতিগুলি এর প্রাক্কালে রাশিয়া ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি সর্বসম্মত করেন.


0মনে করিয়ে দেই যে, সংঘর্ষ মীমাংসার জন্য প্রস্তাব করা হচ্ছে- ভবিষ্যতে বল প্রয়োগ না করা, সমস্ত সামরিক ক্রিয়াকলাপ সম্পূর্নভাবে বন্ধ করা, সাচ্ছন্দভাবে মানবতাবাদী সাহায্য প্রাপ্তি সুনিশ্চিত করা, জর্জীয় সৈন্যবাহিনীর তার স্থায়ী অবস্থান স্থলে ফিরিয়ে আনা, আর রাশিয়ার বাহিনীকে সামরিক ক্রিয়াকলাপ শুরু হবার আগের রেখায় ফিরিয়ে আনা. আর অবশেষে, দক্ষিন ওসেতিয়া ও আবখাজিয়ার ভবিষ্যত স্থিতির প্রশ্নের আন্তর্জাতিক আলোচনা করা এবং এ দুই অস্বীকৃত প্রজাতন্ত্রের নিরাপত্তার পথ আলোচনা করা. তাছাড়া রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি এবং ফেডারেল জার্মানীর চ্যান্সেলারের সাক্ষাতে আলোচিত হচ্ছে দক্ষিন ওসেতিয়ার মানবতাবাদী বিপর্যয় অতিক্রমের সমাহারিক ব্যাবস্থা. বিশেষ করে শরনার্থীদের অবিলম্বে সাহায্য দান এবং জর্জীয় আগ্রাসনের ফলে ধ্বংসপ্রাপ্ত ইনফ্রাস্ট্রাকচারের প্রকল্পগুলি পুনস্থাপনে সহায়তা করা. প্রসংগত বলি, জার্মান পার্লামেন্ট সদস্যরা সম্পূর্নভাবে সমর্থন করে ককেশাসের সংকট সমন্ধে নিজেদের নেতৃবৃন্দের নীতি এবং তাকে পুরাপুরি যুক্তসংগত বলে মনে করে. এদিকে আংগেলা মের্কেল নিজেদের ইউরোপীয় শরিকদের কাছে দাবী করছেন উক্ত সমস্যা সম্পর্কে ঐক্যবদ্ধভাবে মত প্রকাশ করতে. বিশেষ করে পোল্যান্ড, বাল্টিক দেশগুলি এবং তাদের সংগে যুক্ত হওয়া ইউক্রেনের দ্বারা গৃহীত রাশিয়া বিরোধী স্থীতি উপলক্ষে. গড়ে উঠা পরিস্থিতি সমন্ধে মন্তব্য করে রাশিয়ার ফেডারেশন পরিষদের আন্তর্জাতিক ব্যাপার সংক্রান্ত কমিটির উপসভাপতি ভাসিলি লিখাচেভ বলেন-


0ভাসিলি লিখাচেভ বলছেন, ইউরোপীয় সংঘ বিভাজিত. আজ তা এমন সংস্থা, যা সম্পূর্নমাত্রায় বিশেষ করে ককেশাসের সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পটভূমিতে ইউরোপীয় সংঘের প্রসারের তথাকথিত উপকারিতা অনুভব করছে এবং তা আজ উপলব্ধি করছে পোল্যান্ড, বাল্টিক দেশগুলি এবং পূর্ব ইউরোপে তার মিত্রদেশগুলির তরফ থেকে কি কঠিন রাজনৈতিক পূজিঁ পেয়েছে. বর্তমানে পোল্যান্ড, ইউক্রেন, জর্জীয়া, বাল্টিক দেশগুলি যে রুপ গড়ে তুলেছে তাকে সমালচন্ক ছাড়া অন্য কিছু বলা যায়না.তারা আত্তপ্রতিষ্ঠার জন্য, আধুনিক বিশ্ব ব্যাবস্থায় নিজেদের বাস্তববাদী স্থান খুজেঁ পাবার জন্য ইউরোপীয় সংঘের গতিকে আরোও ক্ষুন্ন করেছে, আজও করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে.


0অবশ্যই, রুশ-জার্মান শীর্ষ সাক্ষাতের আলোচ্যসূচি ককেশাসের পরিস্থিতির আলোচনাতেই সীমিত থাকবেনা. পরম্পরাগত শরিকানার মনোভাবে পক্ষদয় আলোচনা করবে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতিদ্বারা প্রস্তাবিত উদ্যোগ-ইউরোপীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত নতুন দুটি সম্পাদন সম্পর্ক, নিরস্ত্রীকরনের সমস্যা, ইউরোপীয় সংঘ ও ন্যাটো জোটের কাঠামোতে পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ চালান, ইরানের পারমানবিক কর্মসূচী এবং নিকট প্রাপ্ত মীমাংসা সম্পর্কে. রাশিয়া ও জার্মানীর নেতৃবৃন্দের বিশেষ মনোযগের বিষয়, বরাবরের মত থাকছে দ্বীপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক.