0রাশিয়া আমেরিকার সাথে সংলাপে পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে যে ইউরোপে আমেরিকার রকেট বিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থার সরন্জাম স্থাপনে গ্লোবাল সামরিক স্ট্রাটেজিক ভারসাম্য নষ্ট হবে. এইজন্য রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মতবাদ পারমানবিক আঘাতের সম্ভাবনা প্রতিরোধ থেকে চলে আসবে.


0আমেরিকানরা তাদের নিরাপত্তা স্বার্থের দিকে লক্ষ্য রেখে এগিয়ে যাচ্ছে. আর এই ধরনের মতবাদ রাশিয়া ও আমেরিকা সামরিক স্ট্রাটেজিক ভারসাম্য নষ্ট হবে. মস্কো তার নিরাপত্তার স্বার্থে সবকিছু করে যাবে. আমেরিকা ইউরোপে তাদের তৃতীয় স্থানে সামরিক বিস্তৃতিতে ইচ্ছুক. চেকপ্রজাতন্ত্রে রাডার ও পোল্যান্ডে ১০টি রকেট বিরোধী ক্ষেপনাস্ত্র স্থাপনে রাশিয়ার পারমানবিক আরসেনালের কোন ক্ষতি করবে না. তবে তাদের স্থাপনা আমেরিকার পক্ষ থেকে হুমকি হয়ে দাড়াবে. এই ধরনের মত প্রকাশ করলেন সামরিক পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ মেজর জেনারেল ভ্লাদিমির দভোরকিন. ভয়েস অফ ভ্লাদিমির দভোরকিন.


0ভয় আসতে পারে অন্য দিক থেকে. কারন আমরা জানিনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রকেট বিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থার সামরিক পরিকল্পনা.


0দুই দিক থেকে মস্কো ওয়াশিংটনকে দোষারপ করে আসছে, হয় একে অন্যের মুখোমুখি অবস্থান যা শীতল যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে. দ্বিতীয়ত রাশিয়া চায় গ্লোবালভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেখানে ইউরোপ ও অন্যান্য জবাবদীহিমূলক রাষ্ট্রের অংশগ্রহন থাকবে. এই দুটি বিপরিতমুখি রাস্তা একসাথে চলতে পারেনা. রাশিয়া দ্বিতীয় পথের দিকেই তাকিয়ে আছে যাতে সবাই সমান নিরাপত্তা ভোগ করতে পারে. তবে দ্বিতীয় পথটি নির্ভর করছে উভয়ের বিশ্বাসের উপর যা এখনো দুই পক্ষের মধ্যে সৃষ্টি হয়নি. এইজন্য আমেরিকা তার অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত নেতৃত্তের জন্য একটি নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করতে চায় প্রথমে নিজের জন্য এবং পরে তার অনুসারিদের জন্য. অন্য সকলের ক্ষতি করে হলেও. এইজন্য সবার প্রথমেই আসে রাশিয়ার কথা. আর এই জন্যই মস্কো বলে আসছে সামরিক প্রযুক্তির বিষয়ে. তাই আমেরিকা তৈরী করবে আলাদা এক নিরাপত্তামূলক বিশ্ব এবং যাকে আমেরিকার ভালো লাগে তাকে সেখানে অবস্থানের সুযোগ দিবে. তবে এর প্রতিসরনও বুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে পারে.